আজ আমরা আপনাদের শোনাবো বারোয়ারি তৈরীর কাহিনী ।

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: হুগলি :: মঙ্গলবার ১২,নভেম্বর :: আজ আমরা আপনাদের শোনাবো বারোয়ারি তৈরীর কাহিনী । হ্যাঁ ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলির গুপ্তিপাড়া থেকে এই বারোয়ারি সৃষ্টি হয়েছিল বলে সকলেই জানেন কেন এই বারোয়ারি সৃষ্টি হয়েছিল এবং আমরা যে এখন বলে থাকি বারোয়ারির পূজো সেটার উৎপত্তি কিন্তু এই গুপ্তিপাড়া থেকে।

হুগলি জেলার বলাগড় থানার গুপ্তিপাড়ার আর সেখানেই পূজিত হন মা জগধাত্রী যার নাম বিন্দু বাসিনী জগদ্ধাত্রী পুজো কথিত আছে একসময় যখন জমিদারদের রমরমা এলাকায় তাদের বাড়ির পুজো হতো এবং এবং তাদের ইচ্ছা মতো বাড়ির দরজা বন্ধ হতো এবং খুলে যেত সকলের অবাত প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল ।

এলাকার বেশ কিছু মানুষজন এবং তাদের বাড়ির মহিলা সদস্যরা এখানে পুজো দিতে গেলে বা দেখতে গেলে তারা বিতাড়িত হন এক কথায় বলা যেতে পারে তাড়িয়ে দেয়া হয়। সেই কথা বাড়ির মহিলারা এসে কয়েকজন বন্ধু যখন বসে আড্ডা দিচ্ছিল তাদের বলেন এবং ১২ জন ইয়ার অর্থাৎ বন্ধুমিলে আলোচনা ও চিন্তাভাবনা করে শুরু করেন গুপ্তিপাড়ার পুজো তাদের চিন্তা ছিল যে পুজো তারা করবেন উঁচু-নিচু ছোটলোক বড়লোক কোন ভেদাভেদ থাকবে না

সবার জন্যই সব সময় তার দরজা খোলা থাকবে। অবাধ যাতায়াত থাকবে সকলের তাই সৃষ্টি হল বিন্দুবাসিনী পুজো আর তার নেতৃত্বেই ছিলেন ১২ জন বন্ধু অর্থাৎ ইয়ার তারাই এই পুজো পুজো শুরু করেন যা এলাকার মানুষের কাছে ২৬৫ বছর আগে এই পুজোর সূচনা হয়।

দেখতে দেখতে ২৬৪ বছর পার করে ২৬৫ তে পা এখন এই পুজো গুপ্তিপাড়ার বিন্দুবাসিনী জগদ্ধাত্রী মাতা নামে পুজিত হয়ে আসছেন । এখনো বিন্দুবাসিনী পুজোয় মানুষের ঢল নামে ঢাকঢোল বাজিয়ে যেমন পুজো হয় তেমন মন মন চাল ওর সবজির ভোগ খেতে মানুষের ঢল নামে এলাকায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 + eighteen =