উচ্চ মাধ্যমিক চলাকালীন মাইকে সরকারি প্রচার – বিডিও অফিসেই ধর্নায় বিজেপি নেতা, ছুটে এলেন বিধায়ক

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: ভাতার :: মঙ্গলবার ২৪,ফেব্রুয়ারি :: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সরকারি প্রচারে কেন মাইক ব্যবহার করা হবে?

ফোন করে বিডিওর কাছে জানতে চেয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসিন্দা বিজেপির যুবনেতা সৌমেন কার্ফা। কিন্তু একাধিকবার ফোন করেও তখন বিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি সৌমেনবাবু তাতেই তাঁর মেজাজ গেল বিগড়ে। আর সটান চলে এলেন ভাতার বিডিও অফিসে সোমবার।

তখন অফিসে বিডিওর দেখা না পেয়ে বিডিওর চেম্বারের সামনে ধর্নায় বসে পড়লেন। সোমবার বিকেল নাগাদ এই ঘটনা ঘিরে হুলুস্থুল কাণ্ড বাধে ভাতার বিডিও অফিস চত্বরে।

                                                                             বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী

ঘটনাক্রমে তখন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির ঘরে বসে কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। চিৎকার শুনে তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেন। সৌমেন কার্ফা তাঁর পূর্ব পরিচিত।

বিধায়ক সৌমেন কার্ফাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই মাথা ঠাণ্ডা হতে চাইছে না সৌমেনের। কিছুক্ষণ পর তিনি অবশ্য বেরিয়ে আসেন।

জানা যায় এদিন ভাতারের বামুনাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরে ঘুরে গৃহসম্পর্ক অভিযানে বেরিয়েছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার বর্ধমান বিভাগের কনভেনর সৌমেন কার্ফা।

তিনি নিজের চারচাকা গাড়িতে চড়ে ঘুরছিলেন। ঝুঝকোডাঙ্গা গ্রামে ঘোরার সময় সৌমেনের নজরে পড়ে একটি ম্যাটাডোর গাড়ি ওই এলাকায় ঘুরে সরকারিভাবে মাইকিং করে প্রচার করছে।

বাংলার বাড়ি প্রকল্পের অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উপভোক্তাদের অবগত করতেই সরকারি ব্যানার লাগানো ওই প্রচার গাড়ি ঘুরছিল। তা দেখার পরেই সৌমেন কার্ফা ভিডিও করে রাখেন তারপর তিনি ফোন করেন ভাতারের বিডিওকে।

কিন্তু ফোনে পাননি বিডিও দেবজিত দত্ত কে। এরপরেই তিনি কয়েকজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও অফিসে চলে আসেন। বেশ কিছুক্ষণ হৈ হট্টগোল চলার পর বিধায়কের হস্তক্ষেপে সৌমেন কিছুটা শান্ত হন। তারপর চলে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four + seventeen =