এক কেজিরও বেশি সোনার গয়না উদ্ধার , ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার তিন দুষ্কৃতী

সুদেষ্ণা মন্ডল :: সংবাদ প্রবাহ :: ডায়মন্ডহারবার :: বুধবার ১৬,জুলাই :: ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার জেলা পুলিশের আবারো বড় সাফল্য একটি ঘটনা তদন্ত নেমে দুটি পৃথক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকা দুষ্কৃতীদের ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে উস্তি থানার অন্তর্গত শংকরপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি রাষ্ট্রত্ত্ব ব্যাংকের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটে, আর এই ঘটনার তদন্তে নামে উস্তি থানার পুলিশ এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসজির দল।বেশ কয়েক মাস কেটে যাওয়ার পরও অধরা থাকে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার কিছু মাস পরেই ঢোলাহাট থানাতে একটি রাষ্ট্রত্ত্ব ব্যাংকে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটে এবং কয়েক মাস আগেই সোনারপুরের একটি সোনার দোকানে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটে।

এরপর ক্রমাগত পুলিশ প্রশাসনের উপর বাড়তে থাকে চাপ হাল না ছেড়ে এই ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার পুলিশ দুষ্কৃতীদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল। ক্রমাগত দুষ্কৃতীরা তাদের নিজেদের লোকেশন এবং মোবাইলের সিম কার্ড পরিবর্তন করতে থাকে এর ফলে দুষ্কৃতীদের কাছে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয় ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশকে।

ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার জেলা পুলিশের নিরলস চেষ্টার পর অবশেষে উড়িষ্যার কোরাপুট এলাকা থেকে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে তিনজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার পুলিশ। এরপর শুরু হয় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ।

এরপর সংগ্রামপুর এলাকা থেকে উদ্ধার হয় এক কেজিরও বেশি ওজনের সোনার গয়না যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা। উদ্ধার দুটি রাষ্ট্রত্ত্ব ব্যাংকে ছিনতাই করা টাকা। নগদ ৬০,০০০ টাকা উদ্ধার করা হয় দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে। দুষ্কৃতীদের ইতিমধ্যে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে উস্তি থানা এলাকার একটি রাষ্ট্রয়ত্ত্ব ব্যাংকে ছিনতাই এর ঘটনা তদন্ত নেমে অভিযুক্তদের ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধৃতদের নাম মুজাহিদ মোল্লা বাড়ি মন্দির বাজার থানা এলাকায়। মোহাম্মদ হাবিব বজবজ থানা এলাকায় বাড়ি। ফারহান মন্ডল বাড়ি বাসন্তী থানা এলাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত রয়েছে সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ten + 6 =