নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: বৃহস্পতিবার ৮,জানুয়ারি :: বাদুড়িয়া থানার চাতরা এলাকায় সুভাষ ভঞ্জ এর সোনার দোকান । সেই দোকানে গত ২৮শে নভেম্বর মধুরিমা দাস একটি সোনার নেকলেস কিনতে আসেন । যার মূল্য ৫৬০৯০(৫৬ হাজার ৯০ টাকা) ।
নেকলেস পছন্দ করে নেওয়ার পর মধুরিমা দাস বলেন আপনি বিল করুন আমি টাকা দিচ্ছি।এই বলে সে দোকান থেকে বেরিয়েই চম্পট দেয়। বিল করার সময় মধুরিমা তার নিজের মোবাইলের নাম্বারও দেয় । এরপর দীর্ঘক্ষণ আসছে না দেখে তার নাম্বারে ফোন করেন সুভাষ ভঞ্জ ।
তখনো মধুরিমা বলেন আমি যাচ্ছি টাকা আপনাকে দিয়ে দিচ্ছি । এরপর একদিন দুদিন কাটতে থাকে কিন্তু টাকা না পাওয়ায় একাধিকবার ফোনে এবং হোয়াটসঅ্যাপ কলে কথা হয় মধুরিমার সাথে।
কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়ায় টাকা না পেয়ে সুবাস ভঞ্জ বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন । এরপর ১৬ ই ডিসেম্বর বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন (CCTV ফুটেজ সহ) ।
এরপর বাদুড়িয়া থানার পুলিশ তদন্তে নেবে গতকাল কলকাতার একটি গোপন আস্তানা থেকে মধুরিমা দাস ও রাহুল চট্টোপাধ্যায় দু’জনকে গ্রেফতার করে ।
মধুরিমা দাস- ই মূল চক্রের পান্ডা । এরপর পুলিশ তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে এই মধুরিমা দাস এর বিরুদ্ধে জেলার ভেতরে এবং জেলার বাইরে ও একাধিক থানায় প্রতারণার অভিযোগ আছে । এবং তাদের একটা বড় চক্র এই কাজের সাথে যুক্ত ।

