নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কাঁকসা :: বুধবার ১৪,জানুয়ারি :: একই বুথের ৩৭০ জনকে এস আই আর এর সুনানিতে ডাকা হয়েছে।আর এর জেরেই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকার মানুষ। ঘটনাটি গলসি বিধানসভার অন্তর্গত কাঁকসার জাঠগড়িয়া এলাকার ১৩নং বুথের।ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আর এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। বুথের মোট ভোটার রয়েছে প্রায় ১২৬০জন। তাদের মধ্যে ৩৭০ জন কে ডাকা হয়েছে শুনানিতে। নোটিশ পেতেই ক্ষুব্ধ গোটা এলাকার মানুষ।
কারোর নোটিশে লেখা হয়েছে একজন বাবার একাধিক ছেলে হওয়ায় সন্দেহের তালিকা দেখা দিয়েছে। কারোর নোটিশের লেখা রয়েছে নথির গোলযোগ রয়েছে।
কিন্তু ক্ষুব্ধ মানুষের দাবী, তাদের গ্রামেই জন্ম। বাপ ঠাকুরদারাও একই গ্রামেই জন্ম। এখন তাদের বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। বেছে বেছে আবার সংখ্যালঘুদের পাঠানো হয়েছে এই নোটিশ বলেও অভিযোগ করেন গ্রামের মানুষ।
শেখ মনিরুল নামের গ্রামের বাসিন্দা বলেন,”তাদের নাম রয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। তার পরেও ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে। তাদের মত গরিব মানুষদের এখন ৩০ কিলোমিটার দূরে শুনানি কেন্দ্রে যেতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশন তাদের বিপাকে ফেলছে।তারা এর বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন।” রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,”ভোটার তালিকায় ধর্মীয় বিভাজন করছে বিজেপি মনোনীত নির্বাচন কমিশন। প্রথম থেকেই যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে।
আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যদি কোন যোগ্য ভোটারের নাম বাদ যায় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে জাঠগড়িয়ার মত বহু প্রাচীন গ্রামের মানুষদেরও শুনানির লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে।”

