কলকাতায় নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘাত, অবরুদ্ধ স্ট্র্যান্ড রোডে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: মঙ্গলবার ৩১,মার্চ :: রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠল মঙ্গলবার। তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি-র কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল শহরের কেন্দ্রস্থল।

নির্বাচন কমিশনের রাজ্য দপ্তর ঘেরাওকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাক্কাধাক্কি, ইট-পাটকেল ছোড়া ও বচসার ঘটনা ঘটে।

এদিন দুপুরে এক যুবককে ‘প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভর্তি ফর্ম-৬’ নিয়ে সিইও অফিসে ঢুকতে দেখে তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা তাঁকে হাতে-নাতে ধরার দাবি তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন।

তাঁদের অভিযোগ, ওই যুবক পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা এবং বেআইনিভাবে ফর্ম জমা দিতে এসেছিলেন। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় বসে স্লোগান দিতে থাকেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি কর্মীরা। চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠকের নেতৃত্বে তাঁরা পাল্টা বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, এক বিজেপি কর্মীকে সেখানে মারধর করা হয়েছে।

চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠক

দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি স্লোগান এবং পুলিশের গার্ডরেল ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত সিইও দফতরের সামনে দু’পক্ষই অবস্থানে অনড় থাকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সকাল থেকেই তৃণমূল কর্মীরা নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে জমায়েত শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার ও ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। অপরদিকে বিজেপির পক্ষ থেকেও পাল্টা মিছিল ডাকা হয়।

দুই পক্ষ মুখোমুখি হতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। চোখের সামনে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হঠাৎ করেই শুরু হয় ইটবৃষ্টি এবং ভাঙচুর। বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন বলে জানা গেছে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং কয়েকজনকে আটকও করা হয়।

এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থেই তাদের এই আন্দোলন। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য সরকার পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করছে।

ঘটনার জেরে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যান্ড রোড দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ—সকলেই চরম ভোগান্তির শিকার হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং বেশ কিছু এলাকায় ট্রাফিক ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, সকাল থেকেই তৃণমূল কর্মীরা নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে জমায়েত শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার ও ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। অপরদিকে বিজেপির পক্ষ থেকেও পাল্টা মিছিল ডাকা হয়।

দুই পক্ষ মুখোমুখি হতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। চোখের সামনে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হঠাৎ করেই শুরু হয় ইটবৃষ্টি এবং ভাঙচুর। বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন বলে জানা গেছে।

পুলিশ লাঠিচার্জ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং কয়েকজনকে আটকও করা হয়। এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থেই তাদের এই আন্দোলন।

অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য সরকার পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই সংঘর্ষ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলল বলে মনে করছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − 8 =