নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বসিরহাট :: শুক্রবার ২৭,মার্চ :: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট দুই নম্বর ব্লকের বড় গোবরা পাঁচ নম্বর বুথের ঘটনা এই বুথে মোট ভোটারের সঙ্গে ছিল ৯৬৪ তার মধ্যে ৩৪০ জন বিচারাধীন ছিল।
খসড়া তালিকায় ৩৪০ জনের নামের উপর আন্ডার অ্যড জুডিকেশনে অন্তর্ভুক্ত হয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা যায় ৩৪০ জনের নামই (ডিলিট) বাদ দেওয়া হয়েছে।
বিএলও মোঃ শফিউল আলমের নিজের নামও বাদ চলে গেছে। বাদ পড়া ভোটাররা রাতে বিএলওর বাড়িতে গিয়ে কোন সদুত্তর না পেয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়।বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বেগমপুর বিবিপুর অঞ্চলের বড় গোবরা গ্রামের পাঁচ নম্বর বুথের ঘটনা।
বসিরহাট ২ নম্বর ব্লকের বেগমপুর বিবিপুর অঞ্চলের বড় গোবরা গ্রামের পাঁচ নম্বর বুথে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৯২ জন। মৃত এবং স্থানান্তরিত বাদ যায় ৩৮ জন। বাকি ৯৫৪ জনের মধ্যে শুনানির জন্য ডাকা হয় ৩৫৮ জন।
মাত্র ১৮ জনের নাম খসড়া তালিকায় সমাধান হয়। বাকি ৩৪০ জনের নাম আন্ডার অ্যাড জুডিকেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়। তারপর ২৩ তারিখ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা যায় ৩৪০ জনের নামই ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ওই বুথের বিএলও মোঃ শফিউল আলম তার নিজের নামও বাদ চলে গেছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে। রাতে বি এল ও শফিউল এর বাড়িতে যায় শতাধিক নাম বাদ পড়া ভোটাররা। শফিউল ৩৪০ জনের বাদ পড়া তালিকা নিয়ে বসিরহাট ২ নম্বর ব্লকের বিডিওর কাছে যান। তিনি বলে দেন তার আর কোন হাত নেই।
এরপর তিনি ইআরও এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন কিন্তু তিনি কর্ণপাতই করেননি কোন সদ উত্তর পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকেও। এই খবর শুনে শতাধিক বাদ পড়া ভোটাররা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান।
বিএলও শফিউল আলম বলেন সব জায়গা থেকে নিরাশ হয়ে ফিরে এসেছেন তিনি। অগত্যা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
বাদ পড়া ভোটার কাজীরুল মন্ডল বলেন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ছিল ১১-টা নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালে হবে। আমরা ৩-টি ৪-টি নথি দেখিয়েও আমাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে কমিশন কোন একটি রাজনৈতিক দলের দ্বারা পরিচালিত। তাদের আবদার মানার জন্য আমাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

