নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: গঙ্গাসাগর :: বুধবার ১৮,ফেব্রুয়ারি :: গঙ্গাসাগরে খুড়শুরের গোয়াল ঘরে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ করে ময়না তদন্তের পর মৃতদেহ দাহ না করে, রেখে দিলেন মৃতের পরিবার। তাদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত দাহ করবে না এই মৃতদেহ।
ঘটনা টি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগর থানার ধসপাড়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নগেন্দ্রগঞ্জে গোবিন্দপুর গ্রামে। । মৃত যুবকের নাম রাকেশ পাত্র ২০ বছর বয়স। কিছুদিন আগে পাশের গ্রামে রিনা মন্ডল নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে রাকেশ। এরপরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মেনে নেয়নি।
কিছুদিন শ্বশুরবাড়ি থাকার পর মেয়েটি বাপের বাড়ি চলে যায়। অভিযোগ শিবরাত্রির দিনে ভুল বুঝিয়ে রাকেশকে শ্বশুর বাড়িতে ডাকা হয়। সেখানে গেলে, পরের দিন সকালে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় খুড়তুতো শ্বশুরের গোয়াল ঘরে।
পরিবারের লোকের অভিযোগ তাকে শারীরিক নির্যাতন করে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সাগর থানার পুলিশ এসে ময়না তদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যায় । এরপর রাকেশের দেহ গ্রামে আনলে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।এলাকার মানুষ। গন্ডগোল বেঁধে যায়।
মহিলাদের অভিযোগ পুলিশ লাঠি চার্জ করে মহিলাদের উপর। পরে পুলিশ রিনা মন্ডল সহ তার বাপের বাড়ির ছয় জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
