গেটে মোতায়ন নিরাপত্তা রক্ষীও। তবুও আঁধার নামলেই বহিরাগতদের প্রবেশ অবাধ হয়ে উঠেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বলে অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মালদহ :: বুধবার ২৫,ফেব্রুয়ারি :: এ যেন ‘বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো’। নিরাপত্তার জন্য উঁচু সীমানা প্রাচীর, লোহার বিশালাকার গেট রয়েছে। গেটে মোতায়ন নিরাপত্তা রক্ষীও। তবুও আঁধার নামলেই বহিরাগতদের প্রবেশ অবাধ হয়ে উঠেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বলে অভিযোগ।

অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাংশে সীমানা প্রাচীর না থাকার সুযোগ নিচ্ছে বহিরাগতরা। এরই মধ্যে জানুয়ারি মাসে মেয়াদ ফুরিয়েছে নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্ব থাকা ঠিকাদার সংস্থার। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক মহলে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪৬ মিটার এলাকায় সীমানা প্রাচীর না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের উদ্বেগ কয়েকগুন বেড়ে গিয়েছে। অভিযোগ, উন্মুক্ত এলাকা দিয়ে বহিরাগতেরা ক্যাম্পাসে ঢুকে অসামাজিক কাজকর্ম চালাচ্ছে। তাতে ছাত্রছাত্রীদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

গত দেড় বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনে ঢুকে এক ছাত্রীর উপরে ছুরি নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবিক বিভাগের প্রথম সিমেস্টারের ছাত্রী রিম্পা খাতুন বলেন, “দুপুর বেলায় উন্মুক্ত এলাকা দিয়ে বহিরাগত যুবকেরা ঢুকে পুকুরে মাছ ধরছে। সে চত্বরে নিরাপত্তা রক্ষীও থাকে না।

সন্ধেয় পর্যাপ্ত আলো নেই। কর্তৃপক্ষের দ্রুত দেখা উচিত।” বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সজিকিউটিভ কাউন্সিল কমিটির সদস্য তথা তৃণমূলের কলেজ শিক্ষক সংগঠনের ওয়েবকুপার নেতা সনাতন দাস বলেন, “ঘটনাটি সত্যিই খুবই উদ্বেগের। আশা করছি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eight − 6 =