নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বারুইপুর :: মঙ্গলবার ৩,ফেব্রুয়ারি :: শাড়ির ভাঁজে লুকোনো পাখির পালক, চিনে পাচারের আগেই পোস্ট অফিস থেকে ধরা আন্তর্জাতিক পাচারকারী । দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পোস্ট অফিসে তৎপরতায় ভেস্তে গেল এক আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণ পাচারের চেষ্টা।
শাড়ির ভাঁজে লুকিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছরাঙা পাখির পালক চিনে পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিনাতুল্লাহ নেগাবন (৪১)। ধৃতের বাড়ি সুন্দরবন পুলিশ জেলার অন্তর্গত ঢোলাহাট থানার উত্তরাবাদ এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিনাতুল্লাহ নেগাবন (৪১)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বড় বড় প্যাকেট নিয়ে পোস্ট অফিসে হাজির হয় মিনাতুল্লাহ। সে জানায়, শাড়ির পার্সেল পাঠাবে। কিন্তু প্যাকেটগুলোর অস্বাভাবিক আকার, ওজন এবং মোড়ক দেখে সন্দেহ হয় পোস্ট অফিসের কর্মীদের।
নিয়মমাফিক প্যাকেট খুলে দেখাতে বলতেই অভিযুক্ত আচমকাই সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত কর্মীরা তাকে ধরে ফেলেন এবং খবর দেন বারুইপুর থানায়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে এবং প্যাকেটগুলি বাজেয়াপ্ত করে। পরে সেগুলো খুলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।
শাড়ির ভাঁজের ভিতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছিল মাছরাঙা পাখির পালক। মোট ৪১টি আলাদা প্যাকেটে এই পালকগুলি ভরা ছিল। প্রাথমিকভাবে অনুমান, এগুলি চিনে পাচারের উদ্দেশ্যেই পাঠানো হচ্ছিল।
বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে সংরক্ষিত পাখির দেহাংশ সংগ্রহ, মজুত বা পাচার করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ঘটনার পর বন দফতরের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল পাখির পালক অবৈধ আন্তর্জাতিক বাজারে অলংকার বা সংগ্রহযোগ্য সামগ্রী হিসেবে উচ্চ দামে বিক্রি হয়।

