নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: জঙ্গিপুর :: শনিবার ১১,এপ্রিল :: জঙ্গীপুরের সভায় এআই ভিডিও ইস্যুতে তোপ, হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে সরব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী |
নির্বাচনের আবহে মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুরে জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । এদিন তাঁর বক্তৃতার কেন্দ্রে উঠে আসে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা হুমায়ুন কবিরের একটি বিতর্কিত এআই ভিডিও।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “ভোটের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।”
তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষকে ভুল পথে চালিত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। মোদীর বক্তব্য অনুযায়ী, “সত্যকে আড়াল করে মিথ্যাকে সামনে আনার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষ সব বুঝতে পারছে।”
তিনি সরাসরি হুমায়ুন কবিরের এর নাম উল্লেখ করে বলেন, এই ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রয়োজন। সভায় উপস্থিত বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ডিজিটাল যুগে তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করা উচিত নয়।
এই ধরনের এআই ভিডিও সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করে।”
এদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ইস্যুটি বড় করে দেখাচ্ছে। দলের একাধিক নেতা বলেন, “প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।”
রাজনৈতিক মহলের মতে, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ও অপব্যবহার এখন নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুয়ো ভিডিও বা ‘ডিপফেক’ ইস্যু ভবিষ্যতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। জঙ্গীপুরের এই সভা থেকে স্পষ্ট, আসন্ন নির্বাচনে প্রযুক্তি এবং তথ্যযুদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে আসছে।

