নিজস্ব প্রতিনিধি :: সংবাদ প্রবাহ :: মেমারি :: বুধবার ২১,জানুয়ারি :: পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি কলেজের মাথায় হাত!!! প্রায় ২ কোটি টাকার আয়কর নোটিস!!! বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রাক্তণ প্রিন্সিপ্যাল দেবাশীষ চক্রবর্তী । বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না মেমারি কলেজের সদ্য প্রাক্তণ অধ্যক্ষ ড. দেবাশীষ চক্রবর্তীর।
কলেজ সোস্যালে উদ্দাম নৃত্য হোক কিংবা তৃতীয় লিঙ্গের সেমিনার আবার আদিবাসী ছাত্রকে মারধোর. কটুকথার এসসি/এসটি মামলা হোক কিংবা মেমারি কলেজের এক অধ্যাপিকাকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে হেনস্থার অভিযোগ – বার বার বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে মেমারি কলেজের সদ্য প্রাক্তণ অধ্যক্ষ ড. দেবাশীষ চক্রবর্তী।
যত দিন যাচ্ছে এক একটি কান্ডে তাঁর নাম প্রকাশ্যে আসছে। এবার যে বিতর্কে তাঁর নাম উঠে এলো বুধবার তা শুনলে আপনি ভাববেন – মেমারিতে হচ্ছে টা কী। প্রাণের শহর মেমারিতে কার নজর লাগলো।
মেমারি কলেজ সূত্রে জানা যায়, আয়কর দপ্তর থেকে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬৯ টাকা আয়কর বাবদ জমা করার নোটিশ পাঠিয়েছে গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। আর এই বিপুল অঙ্কের নোটিশ পাওয়ার পরই মাথায় হাত পড়েছে মেমারি কলেজ কর্তৃপক্ষের।
এতো টাকা কী ভাবে কলেজের ফান্ড থেকে দেওয়া হবে সে নিয়ে দুশ্চিন্তায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও পরিচালন সমিতি। জানা যাচ্ছে মেমারি কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল দেবাশীষ চক্রবর্তীর কাজের গাফিলতির জন্য আয়কর দপ্তর থেকে এই নোটিশ পাঠায়।
গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ এ পাওয়া আয়কর দপ্তরের পাঠানো নোটিশ থেকে জানা যায় ২০১৬ সালের আগষ্ট থেকে ২০২৪ এর মার্চ মাস পর্যন্ত ট্যাক্সের পরিমাণ ছিল ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ৮১৪ টাকা। আনুসঙ্গিক চার্জ নিয়ে যা দাঁড়ায় ৬২ লাখ ৮ হাজার ৪৬১ টাকা।
কিন্ত সেই সময়কালে মেমারি কলেজের প্রাক্তণ প্রিন্সিপ্যাল ড. দেবাশীষ চক্রবর্তীর গাফিলতির কারণে আয়কর আইনের ধারায় মেমারি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জরিমানা দিতে হবে ১ কোটি ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৪ টাকা।
কলেজ আরও সূত্রে জানা যায় ২০১৫-১৬ সালে কলেজের অডিট রিপোর্টে ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকার একটি লেনদেন হয়েছিল তার ভিত্তিতেই ২০২২-২৩ সালে আয়করের মূল টাকা চেয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। আর সেই থেকে এ বিষয়ে অনীহা দেখান প্রাক্তণ প্রিন্সিপ্যাল।

