নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: মঙ্গলবার ৩১,মার্চ :: মঙ্গলবার নিউ টাউন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পপতি পবন রুইয়াকে ।
অভিযোগ, দেশজুড়ে চলা বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণার কয়েকশো কোটি টাকা পবন রুইয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। জেসপ ও ডানলপ কাণ্ডের পর এবার সাইবার জালিয়াতির অভিযোগে ফের শ্রীঘরে শিল্পপতি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৪ সালে স্বপনকুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগের তদন্তে নেমে সাইবার বিশেষজ্ঞরা প্রথমে ৩১৫ কোটি টাকার হদিস পান।
পরবর্তীতে তদন্ত যত এগিয়েছে, দেখা গিয়েছে ১৯০০-এর বেশি মানুষ ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে পবন রুইয়া ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে জালিয়াতির অঙ্ক অন্তত ৬০০ কোটি টাকা বলে দাবি পুলিশের। তদন্তকারীদের দাবি, পবন রুইয়া, তাঁর পুত্র রাঘব এবং কন্যা পল্লবীর নামে অসংখ্য ভুয়ো সংস্থা বা ‘শেল কোম্পানি’ খোলা হয়েছিল। সাইবার প্রতারণার টাকা মূলত সেই সমস্ত সংস্থার অ্যাকাউন্টে রাখা হত।
অভিযোগ, কলকাতা ১৭-র সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ‘রুইয়া সেন্টার’ থেকেই পরিচালিত হত এই সব সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলো। গত নভেম্বর মাসেই এই পরিবারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করেছিল সাইবার অপরাধ বিভাগ।
এর আগে পবন রুইয়া ও তাঁর সন্তানরা কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। গত ডিসেম্বরে আদালত শর্তসাপেক্ষে সেই আবেদন মঞ্জুর করে পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।
তবে ইকো পার্ক থানায় দায়ের হওয়া পুরনো মামলার তদন্তে অসহযোগিতা এবং নতুন তথ্যের ভিত্তিতে এদিন তাঁকে নিউ টাউন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৪ সালে স্বপনকুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগের তদন্তে নেমে সাইবার বিশেষজ্ঞরা প্রথমে ৩১৫ কোটি টাকার হদিস পান।
পরবর্তীতে তদন্ত যত এগিয়েছে, দেখা গিয়েছে ১৯০০-এর বেশি মানুষ ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে পবন রুইয়া ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে জালিয়াতির অঙ্ক অন্তত ৬০০ কোটি টাকা বলে দাবি পুলিশের। তদন্তকারীদের দাবি, পবন রুইয়া, তাঁর পুত্র রাঘব এবং কন্যা পল্লবীর নামে অসংখ্য ভুয়ো সংস্থা বা ‘শেল কোম্পানি’ খোলা হয়েছিল। সাইবার প্রতারণার টাকা মূলত সেই সমস্ত সংস্থার অ্যাকাউন্টে রাখা হত।
অভিযোগ, কলকাতা ১৭-র সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ‘রুইয়া সেন্টার’ থেকেই পরিচালিত হত এই সব সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলো। গত নভেম্বর মাসেই এই পরিবারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করেছিল সাইবার অপরাধ বিভাগ।
এর আগে পবন রুইয়া ও তাঁর সন্তানরা কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। গত ডিসেম্বরে আদালত শর্তসাপেক্ষে সেই আবেদন মঞ্জুর করে পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।
তবে ইকো পার্ক থানায় দায়ের হওয়া পুরনো মামলার তদন্তে অসহযোগিতা এবং নতুন তথ্যের ভিত্তিতে এদিন তাঁকে নিউ টাউন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

