শুক্রবার দুপুরে একাধিক ভোটারকে সঙ্গে নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার
বিধায়কের দাবি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বহু ভোটার দীর্ঘদিনের বাসিন্দা । ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় তাদের নাম ছিল। তা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক এস আই আর প্রক্রিয়ায় তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
শওকত মোল্লা আরও দাবি করেন, গত তিন দিনে শুধুমাত্র ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকায় প্রায় ৩৩ হাজার নাম ‘ফেরত’ এসেছে যা তালিকা থেকে বাদ পড়েছে । বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেই তিনি মনে করছেন।
তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিকস্তরে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও সদুত্তর না মেলায় বাধ্য হয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হল ।
পাশাপাশি তিনি জানান, একই ইস্যুতে ভাঙড় থানাতেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই কাজ করা হচ্ছে এবং এর পেছনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মদত রয়েছে ।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব। সেখানে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা এই অভিযোগ আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

