বটি দিয়ে দিয়ে গলা কেটে মা কে খুন করল ছেলে, ঘটনায় ভাতারের কুরুম্বা গ্রামে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বর্ধমান :: মঙ্গলবার ১৩,আগস্ট :: বটি দিয়ে দিয়ে গলা কেটে মা কে খুন করল ছেলে, ঘটনায় ভাতারের কুরুম্বা গ্রামে ব্যাপক চাঞ্চল্য। মঙ্গলবার তার মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠালো পুলিশ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার কুরুম্বা গ্রামে সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানায় মৃতার নাম হরিদাসী হাঁসদা বয়স৬৫বছর। তাকে খুনের অভিযোগে ছেলে মটরা হাঁসদাকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা আদালতে পাঠালো পুলিশ। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দাবি, মটরা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই। ইদানিং আরও অবনতি হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে কুরুম্বা গ্রামের বাসিন্দা হরিদাসী হাঁসদার স্বামী বাবুই হাঁসদা জনমজুরি করেন। তিন ছেলের মধ্যে বড় মটরা। মেজ এবং ছোট ছেলে দুজনেই জনমজুরি করেন। একই বাড়িতে সকলে থাকেন। মৃতার মেজ ছেলে বাচ্চু হাঁসদা বলেন,” দাদার বিয়ের দুই তিন বছরের মধ্যেই বৌদি ছেড়ে চলে যায়।

তারপর থেকেই দাদা মানসিক হতাশায় ভুগতেন। দুই একবছর হল মাথার গণ্ডগোল হয়ে গিয়েছিল। কাজকর্ম তেমন করত না। তবে মাকে দেখাশোনা করত।” বাচ্চু জানিয়েছেন তিনি ও ছোট ভাই সকালে কাজে চলে যান। বাড়িতে ছিলেন বাবা,মা এবং দাদা মটরা। তারপর বাবা বাবুই হাঁসদা দেখতে পান রক্তমাখা বটি হাতে মটরা ঘর থেকে বের হচ্ছে।

মটরা নিজেই তার বাবাকে বলে,” বারবার খাওয়ার জন্য মাকে বলছিলাম। মা খাচ্ছিল না। রাগ উঠে গিয়েছিল। মেরে দিয়েছি।” এই কথা শোনার পর বাবুই হাঁসদা ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ। এরপর পাড়াপড়শিদের ডাকেন। মটরাকে আটকে রেখে স্থানীয়রাই পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ গতকাল তার মৃতদেহ উদ্ধার করে আনে থানায় আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার তার মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ten − 5 =