নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: গলসি :: শনিবার ০৩,জানুয়ারি :: পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে বালিঘাটের টোল করাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গলসি–২ ব্লকের দামোদর নদের ওপর অবস্থিত একাধিক বালি খাদ থেকে বালি বহনকারী গাড়ির উপর টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি এই মর্মে গোহগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করতেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে পঞ্চায়েতের ভূমিকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই সব বালি খাদ থেকে বালি উত্তোলন চলছে।
এতদিন বালি খাদ মালিকরা নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণ করে নদী থেকে বালি তুলতেন। আগে কখনও সেখানে টোল আদায়ের কোনও ব্যবস্থা ছিল না।
অথচ হঠাৎ করেই বালিঘাটে টোল বসানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, বালিঘাট সংলগ্ন এলাকায় সরকারি জমির পরিমাণ অত্যন্ত কম। অধিকাংশ জমিই সাধারণ মানুষের মালিকানাধীন।
অল্পকিছু অংশ সেচ দপ্তরের (ইরিগেশন ডিপার্টমেন্ট) অধীনে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে জনগণের জমির উপর গ্রাম পঞ্চায়েত কোন আইনি ভিত্তিতে টোল বসাতে চাইছে,তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
এই বিষয়ে গোহগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি উপপ্রধান বলেন,আমরা কোনওভাবেই বেআইনি কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত নই। পঞ্চায়েত যদি টোল বসাতে চায়, তাহলে কোন আইনের ভিত্তিতে তা করা হচ্ছে, তা স্পষ্ট করা হোক।
পঞ্চায়েতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, প্রস্তাবিত টোলে বড় গাড়ির ক্ষেত্রে প্রতি গাড়ি ৬০০ টাকা এবং ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে গলসি–২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি হেমন্ত পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,আমাদের অন্ধকারে রেখে পঞ্চায়েত টোল বসানোর চেষ্টা করছিল। নোটিফিকেশন আমাদের নজরে আসার পর বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে

