নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: লাভপুর :: শনিবার ২৮,মার্চ :: বীরভূমের লাভপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই জনসভাকে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ সিনহার সমর্থনে এই সভায় অভিষেক কী বার্তা দেন, সেদিকে শুধু বীরভূম নয়, নজর রয়েছে গোটা রাজ্যের।
প্রস্তুতির এই শেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে কয়েকটি মূল দিক নজরকাড়া।সভার মূল আকর্ষন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। সংগঠন চাঙ্গা করা অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে বীরভূমের সংগঠনকে
একসূত্রে বেঁধে রাখাই এখন দলের বড় চ্যালেঞ্জ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
অভিজিৎ সিনহার লড়াই প্রার্থী হিসেবে অভিজিৎ সিনহা স্থানীয় স্তরে পরিচিত মুখ। তাঁর হয়ে অভিষেক কী কী উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন এবং বিরোধীদের (বিশেষ করে বিজেপিকে) কীভাবে নিশানা করেন, সেটাই দেখার।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও উন্নয়ন রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলো, বিশেষ করে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে অভিষেক বরাবরই সরব। লাভপুরের সভা থেকেও তিনি নারীশক্তি ও গ্রামীণ উন্নয়নের ওপর জোর দিতে পারেন।
জনসভার প্রস্তুতি নিরাপত্তা ও ভিড় লাভপুরের সভাস্থলে কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগমের আশা করছে ঘাসফুল শিবির। তাই নিরাপত্তা এবং ভিড় সামলাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে।
বক্তব্যের সুর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের “আর্থিক অবরোধ” বা বকেয়া টাকা না দেওয়ার বিষয়টিই অভিষেকের বক্তব্যের মূল হাতিয়ার হতে পারে। সারকথা এই সভা কেবল একজন প্রার্থীর প্রচার নয়, বরং বীরভূমের মাটিতে তৃণমূলের শক্তিবৃদ্ধির এক বড় পরীক্ষা।

