সজল দাশগুপ্ত :: সংবাদ প্রবাহ :: নিউজ ব্যুরো :: সোমবার ০৪,ডিসেম্বর :: রাজেন্দ্র প্রসাদ বিহারের সিওয়ানে এক কায়স্থ পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন ৩রা ডিসেম্বর ১৮৮৪ সালে । তাঁর পিতার নাম মহাদেব সহায়। তিনি সংস্কৃত ও পারশিয়ান ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন।
মাত্র পাঁচ বছর বয়েসে তাঁকে মৌলভির কাছে পারশিয়ান ভাষা শিক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছিল। ১৮৯৬ সালে ছাপড়ার একটি স্কুলে ভর্তি হন। পরবর্তীকালে শিক্ষা সম্পন্ন হয় পাটনায়। উল্লেখ্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করতে পেরেছিলেন ও বৃত্তি পান।

তিনি বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষকতার কাজ করেছেন। বিহারের মুজাফফরপুরের লংগত সিং কলেজে ইংরেজির বিষয়ের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়ে প্রিন্সিপাল হন। আইন পড়ার কারণে এই চাকরি ছেড়ে তিনি কলকাতা আসেন।
ডাঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ ১১ই ডিসেম্বর ১৯৪৬ তারিখে গণপরিষদের সভাপতি হিসাবে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন। ইতি পূর্বে স্বাধীনতার আগে গঠিত নেহরুর প্রথম মন্ত্রিসভায় প্রসাদ ছিলেন ক্যাবিনেট মন্ত্রী। তিনি অসীম ধৈর্য এবং গণপরিষদের সভাপতি হিসাবে দক্ষতার সাথে পরিচালনার মাধ্যমে তিনি কংগ্রেস পার্টি এবং ভারতীয় জনগণের প্রশংসা অর্জন করতে পেরেছিলেন ।
গণপরিষদের সভাপতি হিসেবে ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ তাতে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে সমাজে ধর্ম অন্য যেকোনো কিছুর মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং সমস্ত ভারতীয়দের জন্য একটি অভিন্ন সিভিল কোড থাকতে চেয়েছিলেন। ২৬শে জানুয়ারী, ১৯৫০ সালে রাজেন্দ্র প্রসাদ নতুন প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন, ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। বিচারপতি হরিলাল জেকিসুন্দাস কানিয়া, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি শপথবাক্য তাঁকে পাঠ করান।
ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জন্ম এবং তার প্রথম রাষ্ট্রপতির ঘোষণা করা হয়েছিল ৩১টি বন্দুকের স্যালুটের মাধ্যমে সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ।