নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: নদীয়া :: বৃহস্পতিবার ৫ফেব্রুয়ারি :: পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ। ২০১৭ সালের ঘটনায় ২০২৬ সালে অভিযুক্তর সাজা ঘোষণা করলো আদালত।
নদিয়ার তাহেরপুরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার মূল অভিযুক্তকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করলো নদিয়ার রানাঘাট এডিজে আদালত।
সূত্রের খবর, নাবালিকার প্রতিবেশী প্রদীপ গাঙ্গুলী ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীর পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে, সেই কারণে কাউকেই খুলে বলতে পারিনি নাবালিকার সাথে ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনা।
পরবর্তীতে ওই নাবালিকার শারীরিক অবনতি হওয়ায় সমস্ত ঘটনা খুলে বলে পরিবারকে, সাথে সাথেই নাবালিকার পরিবার অভিযোগ দায়ের করে তাহেরপুর থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক শুরু করে তদন্ত। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করে।
২০১৭ সালের ঘটনায় পর্যাপ্ত তদন্ত প্রক্রিয়া চলার পর অবশেষে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার পাশাপাশি দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৬ মাস অতিরিক্ত সাজা সহ কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা করে রানাঘাট এডিজে আদালত।
স্বাভাবিকভাবেই ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আদালতের এই রায় অনেকটাই সমাজের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সকলে।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রানাঘাট পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লালটু হালদার বলেন, বর্তমান সমাজে আদালতের এই রায় অনেকটাই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, কারণ এই অমানবিক ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করতে পুলিশকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।
আগামীতে অসাধু ব্যক্তিরা যাতে আর এই ঘটনা না ঘটাতে পারে আদালতের আজকের এই রায় সমাজের জন্য পৌঁছে দেবে এক অন্য বার্তা।

