কুমার মাধব :: সংবাদ প্রবাহ :: চাঁচল :: মঙ্গলবার ১১,ফেব্রুয়ারি :: আবাস যোজনা সহ একাধিক সরকারী জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক হারে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের উপভোক্তাদের।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার ওই গাড়ির চালকের। তার পাল্টা দাবি, এটা কংগ্রেস ও বিজেপি চক্রান্ত। মালদার চাঁচল ২ নং ব্লকের ধানগাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জিয়াগাছি গ্রামের ঘটনা। গোটা ঘটনায় সরব বিজেপি ও কংগ্রেস।
মালদার চাঁচল ২ নং ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাংলার বাড়ি সহ প্রত্যেকটা সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে। এলাকায় মানুষের কাছ থেকে গিয়ে ব্যাপক হারে কাটমানি তুলেছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গাড়ির চালক ইমরুল।
এমনকি সম্প্রতি, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করেন এক উপভোক্তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেন ইমরুল।
ঘরের নাম আসার পরেও, ঘর পাননি উপভোক্তা তরিকুল ইসলাম। শুধু তারিকুল নন, ওই গ্রামের সাধারণ মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে দিতে হবে কাটমানি এমনই অভিযোগ করেন তারা। কোন প্রকল্পের কি রকম কাঠ মানি দিতে হবে তার রেট চার্ট তৈরি করেন ইমরুল।
বার্ধক্য ভাতা থেকে বিধবা ভাতা, এমনকি বাদ যাচ্ছে না প্রতিবন্ধী ভাতাও সব প্রকল্পে দুই থেকে তিন হাজার টাকা কাঠ মানি দাবি করছেন ইমরুল এমনই অভিযোগ উপভোক্তাদের তারপরও সুবিধা পাইনি উপভোক্তারা। বঞ্চিত হয়েছে বহু সাধারণ মানুষ।
প্রশ্ন হচ্ছে গাড়ির চালক কিভাবে এই সাহস পেল। তবে কি সভাপতি গাড়ির চালককে ব্যবহার করে টাকা তুলছেন। একই এলাকায় বহু মানুষ একই অভিযোগ। সাম্প্রতিক কালে ঘরের জন্য নিয়েছিলেন ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু তারপরও মেলেনি ঘর।
যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠার সমস্ত রকম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইমরুল। তার দাবি, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে এটা কংগ্রেসের চক্রান্ত যেহেতু তিনি তৃণমূল করেন। আর সমস্ত ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর। একযোগে তৃণমূলকে আক্রমণ জানিয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেস।
অন্যদিকে অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি জানিয়েছেন চাঁচল মহকুমা শাসক।