নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: সোনারপুর :: শনিবার ২১,মার্চ :: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমশ জমে উঠছে রাজনৈতিক লড়াই। সেই আবহেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে ময়দানে নেমে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিলেন রাজন্যা হালদার।
নিজের প্রচারের সূচনা তিনি করেন ধর্মীয় আবহে—সোনারপুরের বিপত্তারিণী মন্দিরে পুজো দিয়ে। পুজো দেওয়ার পর স্থানীয় মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে সরাসরি জনসংযোগে নেমে পড়েন তিনি। রাজন্যা হালদারের প্রচারের মূল স্লোগান, “সোনারপুর তার ঘরের মেয়েকেই চায়।”
এই বার্তাকেই সামনে রেখে তিনি এলাকায় বাড়ি বাড়ি প্রচার চালাচ্ছেন। তার দাবি, এই কেন্দ্রের মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে, এবং এলাকার সমস্যা ও চাহিদা তিনি খুব কাছ থেকে জানেন। তাই বাইরের প্রার্থীর বদলে একজন স্থানীয় মুখকেই মানুষ বেছে নেবেন বলে আত্মবিশ্বাসী রাজন্যা।
প্রচারের শুরুতেই তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পৈত্রিক ভিটেতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি সোনারপুরের অন্যান্য কৃতি সন্তানদের প্রতিও সম্মান জানিয়ে নিজের প্রচারে আবেগঘন বার্তা তুলে ধরেন।
প্রচারে বেরিয়ে বহু পুরনো তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গেও দেখা করছেন তিনি, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একসময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন রাজন্যা হালদার।
একুশে জুলাইয়ের শহীদ দিবসের মঞ্চে বক্তব্য রেখে তিনি রাজনৈতিক মহলে নজর কেড়েছিলেন। তবে আরজিকর ঘটনার পর একটি টেলিফিল্ম নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেই ঘটনার জেরে দল তাকে সাসপেন্ড করে।
এরপর বিজেপি নেতা সজল ঘোষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় বিজেপিতে যোগদানের জল্পনাও তৈরি হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনও দলেই তিনি যোগ দেননি এবং নির্দল প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

