ভোট কর্মীদের নিরাপত্তা কে দেবে এই প্রশ্ন উসকে দিলেন প্রতিবাদী ভোট কর্মী সৈকত চ্যাটার্জি

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: শনিবার ২৮,মার্চ :: নির্বাচন বিধি লাগু হাওয়ার পরে কেন ভোট কর্মীদের নির্বাচনের ট্রেনিং সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের বিজ্ঞাপন? প্রতিবাদ করতেই প্রতিবাদী ভোট কর্মীকে এলোপাথাড়ি, কিল ঘুষি চড় ।

রক্তাক্ত অবস্থায় ঘন্টাখানেক হয়ে গেলেও চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা মেলেনি তার। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার রানাঘাট ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজ স্কুলে। এই স্কুলেই বিধানসভা নির্বাচনের ভোট কর্মীদের ট্রেনিং ছিল।

ট্রেনিং শুরুর আগেই প্রজেক্টরে ভেসে ওঠে মুখ্যমন্ত্রীর জগন্নাথ মন্দিরের সরকারি বিজ্ঞাপন। প্রতিবাদ করতে পিছপা হয়নি সৈকত চ্যাটার্জি নামে এক প্রাথমিক শিক্ষক। তিনি প্রথমে প্রতিবাদ করতেই তার সাথে বেশ কয়েকজন সহকর্মী এই প্রতিবাদের শামিল হয়।

নির্বাচনবিধি ঘোষণা হওয়ার পর সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়া নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ জানাতেই তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

এরপরেই রানাঘাট এক নম্বর বিডিও অফিসের কর্মীদের সাথে যখন বচসা শুরু হয় তখনই সৈকত বাবুর ওপর নেমে আসে অত্যাচার। তাকে লক্ষ্য করে কিল ঘুষি চর দেওয়া হয়।

এমনকি মারধরের ফলে রক্তকরণ হয় সৈকত বাবুর। রক্তাক্ত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ ট্রেনিং সেন্টারে থাকার পরেও চিকিৎসা মেলেনি তার এমনটাই অভিযোগ সৈকত চ্যাটার্জির।

যদিও এ বিষয়ে সৈকত বাবুর দাবি, তারা যথারীতি যখন রানাঘাট ১ নম্বর ব্লকের ভোট কর্মীদের ট্রেনিং এ এসেছিল সেই সময় এক যুবক ল্যাপটপ নিয়ে বসেছিল ট্রেনিং সেন্টারে।

হঠাৎই প্রজেক্টরে ভেসে ওঠে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বিজ্ঞাপন। প্রতিবাদ করতেই বিভিন্ন ভাবে তার ওপর হুমকি আসতে থাকে। মারধর করা হয় সৈকত বাবুকে। যদিও বর্তমানে সব ট্রেনিংয়ে আসা সমস্ত ভোট কর্মীরা ট্রেনিং বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।

অভিযোগ, এভাবে নির্বাচন হতে পারে না। নির্বাচনের আগেই যদি ভোট কর্মীদের ওপর এরকম আক্রমণ নেমে আসে নির্বাচনের সময় তাহলে কি হতে পারে? তাদের নিরাপত্তা কোথায়। ভোট কর্মীদের নিরাপত্তা কে দেবে এই প্রশ্ন উসকে দিলেন প্রতিবাদী ভোট কর্মী সৈকত চ্যাটার্জি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

9 − 7 =