নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বসিরহাট :: সোমবার ১১,মে :: উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট মহকুমা বাদুড়িয়া থানা এলাকার তেতুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার ঘটনা। গতকাল রাতে বাদুড়িয়া থানা এলাকার তেতুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার ভাটার রাস্তায় কাজী মোজাফফার আহমেদ (৪৯) এর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ।
পাশাপাশি সেখান থেকে মৃত ব্যক্তির বাইক এবং একটি চার চাকার গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ । বাদুড়িয়া থানার পুলিশ মৃত কাজী মোজাফফার আহমেদ এর জামাই সহ দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ।
জানা যায় মৃত কাজী মোজাফফার আহমেদএর মেয়ের সাথে সরুপনগর থানা এলাকার বাঁকড়ার বাসিন্দা শামীম গাজী এর সাথে বিয়ে হয় ।
কিন্তু বিয়ের পর শামীম গাজীর সাথে মৃত কাজী মোজাফফার আহমেদ এর মেয়ের সাথে গন্ডগোল ঝামেলা পারিবারিক অশান্তি লেগেই থাকতো । এই নিয়ে বহুবার মীমাংসা করার চেষ্টা করলেও কোন সমাধান না হওয়ায় কাজী মোজাফফার আহমেদ তার মেয়েকে নিয়ে নিজের বাড়িতে রাখে ।
এরপর বেশ কয়েকবার শ্বশুর এবং জামাইয়ের মধ্যে গন্ডগোল হয়েছে । প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি- গতকাল রাতে কাজী মোজাফফার আহমেদ মোটরসাইকেল নিয়ে তেতুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন ভাটার রাস্তায় যায় ।
সেই সময় সেখানকার রাত প্রহরীরা দেখতে পায় যে কাজী মোজাফফার আহমেদ কে জোর করে বাইকের থেকে নামিয়ে চার চাকার গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছে কয়েকজন। সেই রাত প্রহরী তখন তড়িঘড়ি এলাকার মানুষকে খবর দেয়।
এলাকার মানুষ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখে কাজী মোজাফফার আহমেদ চার চাকার গাড়ির পাশে পড়ে আছে । এলাকার মানুষ তড়িঘড়ি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং কাজী মোজাফফার আহমেদ (৪৯) কে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে ।
স্থানীয় মানুষের দাবি গলা টিপে শ্বাস রোধ করে ফোন করে তার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছে । যাতে খুনের মোটিভ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যায় । কিন্তু এলাকার মানুষ দেখে ফেলায় তা আর সম্ভব হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে এবং মৃতর জামাই সহ আরো দুজনকে গ্রেফতার করেছে ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান জামাই দুজন সুপারি কিলার দিয়ে শশুরকে খুন করিয়েছে এবং নিজেও ঘটনাস্থলে ছিল ।

