নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: হিঙ্গলগঞ্জ :: সোমবার ১১,মে ::রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবনেও দেখা গেল অভিনব উদযাপন। হিঙ্গলগঞ্জের কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের জয়ের পর মাথামুণ্ডন করে কালীপুজো দিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
বসিরহাট মহকুমার সুন্দরবন এলাকার পারঘুমটি গ্রামের ২৫০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লড়াই এবং ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জয়ের’ আনন্দেই এই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মী নিতাই পদ রায় বহু বছর আগে একটি মানত করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ২০১১ সালের ২ জুলাই পঞ্চায়েত সদস্য থাকাকালীন বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়েন তিনি।
তাঁকে বাঁচাতে গেলে আক্রান্ত হন তাঁর ছেলে দীনবন্ধু রায়ও। প্রাণ বাঁচাতে বাবা-ছেলে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সুন্দরবনের জঙ্গলে আশ্রয় নেন। পরে গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে দাবি নিতাইবাবুর।
তাঁর কথায়, সেই সময়ই তিনি মানত করেছিলেন— একদিন রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে মাথা মুণ্ডন করে মা কালীর পুজো দেবেন। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সেই মানত পূরণ করলেন তিনি ও তাঁর অনুগামীরা।
নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: হিঙ্গলগঞ্জ :: সোমবার ১১,মে :: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবনেও দেখা গেল অভিনব উদযাপন। হিঙ্গলগঞ্জের কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের জয়ের পর মাথামুণ্ডন করে কালীপুজো দিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
বসিরহাট মহকুমার সুন্দরবন এলাকার পারঘুমটি গ্রামের ২৫০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লড়াই এবং ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জয়ের’ আনন্দেই এই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মী নিতাই পদ রায় বহু বছর আগে একটি মানত করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ২০১১ সালের ২ জুলাই পঞ্চায়েত সদস্য থাকাকালীন বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়েন তিনি।
তাঁকে বাঁচাতে গেলে আক্রান্ত হন তাঁর ছেলে দীনবন্ধু রায়ও। প্রাণ বাঁচাতে বাবা-ছেলে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সুন্দরবনের জঙ্গলে আশ্রয় নেন। পরে গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে দাবি নিতাইবাবুর।
তাঁর কথায়, সেই সময়ই তিনি মানত করেছিলেন— একদিন রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে মাথা মুণ্ডন করে মা কালীর পুজো দেবেন। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সেই মানত পূরণ করলেন তিনি ও তাঁর অনুগামীরা।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, ভবিষ্যতেও তাঁরা এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করবেন। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকাতেও রাজনৈতিক পালাবদলের আবহ যে গভীর প্রভাব ফেলেছে, এই ঘটনাই তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।