নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: ইছাপুর :: শনিবার ২৩,মে :: ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পরে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত ইছাপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কার্তিক ঘোষের বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মী এবং সমর্থকদের হুমকি এবং মারধর ও শ্লীতাহানির অভিযোগ উঠেছিল।
ইছাপুরের আমকোলার বাসিন্দা প্রকাশ ঘোষের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সূত্র ধরে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কার্তিক ঘোষ-কে করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রকাশ ঘোষ সেই সময় মার খাওয়া সত্ত্বেও কুড়ি দিনের জন্য জেলে যেতে হয়েছিল।
তার পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধেই তৎকালীন তৃণমূলের নেতা কার্তিক ঘোষ মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসিয়ে দেয়। যদিও অভিযুক্ত কার্তিক ঘোষ এই ঘটনাকে পারিবারিক গন্ডগোল বলে উল্লেখ করেছেন।
প্রকাশ ঘোষের বাবা নিমাই ঘোষ সেদিনের ঘটনার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানান সেই সঙ্গে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কার্তিক ঘোষের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা ওবিসি সেলের সভাপতি দেবব্রত ঘোষ জানান, তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মিথ্যা মামলা করেছিল এই তৃণমূল নেতা। জেল যাত্রা তার আগেই হওয়া উচিত ছিল কিন্তু তখনকার তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার তা করেনি।

