আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব হয়ে অভিনেতা দেব সহ প্রায় ২০ সাংসদ ‘এন ডি এ’র দরজায় – কি লেখা অনুপ্রেরণার কপালে !

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: নয়াদিল্লি ব্যুরো :: সোমবার ৮,জুন :: দিল্লির ৯ নম্বর মতিলাল নেহরু মার্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে এদিন তৃণমূলের ১৪ জন সাংসদকে দেখা যায়।

বৈঠকের একটি ছবি ভাইরাল হতেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। বিশেষ করে, সাংসদ ও অভিনেতা দেবের উপস্থিতি নিয়ে উত্তাল রাজনৈতিক মহল।

সূত্রের খবর, একটি নীল শার্ট ও জিন্স পরিহিত দেবকে বৈঠকের এক কোণে এমনভাবে আড়াল করে বসে থাকতে দেখা গেছে যে, ক্যামেরায় তাকে খুঁজে পাওয়াই ছিল দুষ্কর। জানা গিয়েছে, দেব নাকি আগে থেকেই শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলে বৈঠকে গিয়েছিলেন।

                         মতিলাল নেহরু মার্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে                                         এদিন তৃণমূলের ১৪ জন বিদ্রোহী সাংসদ :: নিজস্ব চিত্র 

অপরদিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার নিজে থেকেই কিছু নাম জানিয়ে দিয়েছেন, যারা এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অংশ নন।

এই তালিকায় রয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, সৌগত রায়, সায়নী ঘোষ। বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, শত্রুঘ্ন সিনহা, ইউসুফ পাঠান বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গেই আছেন বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে তৃণমূলের এই ‘বিদ্রোহী’ গোষ্ঠীর বৈঠক ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পৃথক ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে এনডিএ তে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন সাংসদরা।

এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন বর্ষীয়ান নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের চিফ হুইপ পদ থেকে অপসারণের বিষয়টিকে ‘একপাক্ষিক’ এবং ‘অসাংবিধানিক’ বলে দাবি করে তিনি সরাসরি দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

কাকলি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা জনাদেশ পেয়েছেন উন্নয়নের জন্য। তাদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক যাত্রা এনডিএ-র আদর্শের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 + thirteen =