নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: রবিবার ২,আগস্ট :: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর ব্লকের বালতি নিত্যানন্দকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলাদেশ ও ভারতীয় সীমান্তের নিত্যানন্দ কাটিগ্রামের তারালি সীমান্তের ঘটনা।
সুমাইয়া খাতুন বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকায় গতকাল শুক্রবার সকালবেলায় মাসির বাড়ি যাওয়ার নাম করে গাড়িতে ওঠে বাংলাদেশী এক চালক প্রথমে বলেন ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত দেখাবো ছাত্রী রাজি হয়
তারপর ওই চালক পানীয় জলের সঙ্গে নেশার দ্রব্য মিশিয়ে অচৈতন্য অবস্থা সোজা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কলারুয়া থানার দিয়ে ভারতে তারালি সীমান্তে পার করে দেয়। ছাত্রীর জ্ঞান ফিরলে ব্যাকে এসে ভারতের নিত্যানন্দকাটি গ্রামে নজরুল সরদার তার বাড়ির সামনে শুয়ে আছে ।
তাকে সুস্থ সেবা করে আজ দুপুরবেলায় বিএসএফের ১৪৩ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানদের খবর দেয় পাশাপাশি স্বরূপনগর থানার পুলিশকে খবর দিলে যৌথভাবে গ্রামবাসীরা সাক্ষী নিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়।
পাচার হওয়া ক্লাস সেভেনের ছাত্রী তার জেলায় সমস্ত ঘটনা স্বীকার করে বিস্তারিত জানায় এমনকি পাচারকারী সত্যজিৎ মন্ডল এর নাম তিনি বলেন কিন্তু ব্যাপারটা সেই পাচারকারী এই নিয়ে রীতিবোধক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ।
সীমান্ত গ্রামের মানুষের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ও স্বরূপনগর থানার পুলিশ আধিকারিকরা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে বিএসএফ এই নাবালিকা ছাত্রীকে তার বাবা মায়ের হাতে কবে ফেরত দেয় সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে নাবালিকা ছাত্রী ও সীমান্তের মানুষ।

