নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মালদহ :: শুক্রবার ১১,সেপ্টেম্বর :: সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা।দেখে না ছেলেরাও।বারংবার প্রশাসনের কাছে গিয়ে হয়নি কোন সুরাহা। তৃণমূল আমলে বঞ্চনা। পালা বদলের পরেও একই ছবি।প্রশাসন সুযোগ-সুবিধা না দিলে বিষ দিয়ে দিক খেয়ে মারা যাবো।কার্যত আর্তনাদ বৃদ্ধের।
প্রশ্নের মুখে ব্লক প্রশাসনের ভূমিকা। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকের কালিপুকুর এলাকার বাসিন্দা সুবল দাস(৭০) এবং তার স্ত্রী রুমা দাস (৬২)। তাদের দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলে রয়েছে যারা বাবা মাকে দেখে না। এই বয়সেও জরাজীর্ণ শরীরে কোনক্রমে চায়ের দোকান করে জীবিকা উপার্জন করতে হয়।
সেই চায়ের দোকানও তেমন ভাবে চলে না। কিন্তু অসহায় এই বৃদ্ধ দম্পতির উপর নজর পড়েনি প্রশাসনের। রেশন কার্ড একজনের রয়েছে একজনের বন্ধ হয়ে গেছে। মেলে না বার্ধক্য ভাতা। মেলেনি আবাস যোজনার ঘর।তৃণমূল আমলে কাটমানি দিতে না পারায় বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোন লাভ হয়নি।
বিজেপিকে আশা করে ভোট দিয়ে ছিলেন। ভেবে ছিলেন পালাবদল হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন তারা। কিন্তু প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঘর না থাকায় চাটাই এবং টিন দিয়ে তৈরি চায়ের দোকানেই কোনক্রমে বাস করেন দম্পতি। নেই শৌচালায়।
এই পরিস্থিতিতে সুবল দাসের বক্তব্য,”সরকারি সুযোগ যদি প্রশাসন আমাদের দিতে না পারে তবে বিষ দিয়ে দিক।” ঘটনা সামনে আসতেই ব্লক প্রশাসন এবং বিডিও কে তোপ দেগেছে তৃণমূল এবং বিজেপি উভয়ই। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিল উপযুক্তরা ভাতা পাবে।
কিন্তু সাধারণ মানুষ বিজেপি আমলে ব্লক দপ্তরে গিয়ে শুধু হয়রানির শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বিজেপির দাবি এই বিডিও এখনো তৃণমূলের জামা ছাড়তে পারেননি। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে কবে সুবল দাস রুমা দাস দের দিকে নজর পড়বে প্রশাসনের।

