নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মুর্শিদাবাদ :: শনিবার ১২,সেপ্টেম্বর :: ২০০০ সালের ভয়াবহ বন্যায় বন্যার তোড়ে কার্যত ভেসে গিয়েছিল গোটা স্কুল। স্কুল চত্বরে প্রায় ২০ ফুট পর্যন্ত গর্ত তৈরি হয়েছিল বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল পুরনো স্কুল ভবন।
পরবর্তীতে নতুন ভবন তৈরি হলেও কাটেনি সমস্যা। এখনও নিচু হয়ে রয়েছে স্কুল চত্বর। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ষার জলে ডুবে গিয়েছে স্কুলের বিস্তীর্ণ এলাকা। এই স্কুলে পড়ুয়া রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশো জন, শিক্ষক রয়েছেন আটজন।
জলমগ্ন স্কুল চত্বরে রয়েছে নোংরা জলের সমস্যা, রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা, পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার ভয়। তার সঙ্গে রয়েছে সাপের উপদ্রব।স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত সরকার জানান, শ্রেণিকক্ষে ঢোকার পর বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া পড়ুয়াদের বাইরে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না।
এমনকি জল জমে থাকায় শ্রেণিকক্ষেই করতে হচ্ছে প্রার্থনা। বন্ধ হয়ে গিয়েছে খেলাধুলাও। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের প্রতিভা বিকাশেও তৈরি হচ্ছে বাধা।
দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে স্কুল চত্বর উঁচু করা এবং দ্রুত জল নিকাশির ব্যবস্থা করার দাবি উঠেছে। প্রশ্ন একটাই—কবে কাটবে গোদাপাড়া পুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই দীর্ঘদিনের জলযন্ত্রণা ?

