নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: জঙ্গিপুর :: বুধবার ১৬,সেপ্টেম্বর :: বছর দু’য়েক আগে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছিল স্বামীর বিরুদ্ধে। সেই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন মৃতার বাবা। পরিবারের অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বার বার চাপ দেওয়া হলেও রাজি হননি তিনি।
এর পরেই তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে সুতির অমরপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দু’য়েক আগে অমরপুরের গৃহবধূ চিন্তারানি মণ্ডলকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী সিলিক মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
মৃতার বাবা দুঃখণ মণ্ডল সুতি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরিবারের দাবি, সেই মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য দুঃখণকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। মঙ্গলবার জমি দেখতে গেলে দুঃখণের সঙ্গে সিলিকের বচসা বাধে বলে অভিযোগ। এর পরেই তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে পরিবারের দাবি।
রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুঃখণের মেয়ে নিস্তারাণী মণ্ডলের অভিযোগ, ‘‘আমার বোনের খুনের মামলার প্রধান সাক্ষী বাবা। মামলা না তোলার কারণেই তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে ।

