সুদেষ্ণা মন্ডল :: সংবাদ প্রবাহ :: রায়দিঘি :: রবিবার ০৪, জানুয়ারি :: -এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর একে একে নোটিস পাচ্ছেন অনেকেই। এরই মধ্যে ডাক পেয়েছেন শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যরাও। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের ছেলের নামেও ভুল ধরা পড়েছে।
আর এবার নোটিস পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বাম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘি বিধানসভার কুমড়োপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটার প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। বামফ্রন্টের আমলে টানা দশ বছর সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন।
২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম না থাকায় উঠছে অনেক প্রশ্ন। ইতিমধ্যে হেয়ারিংয়ের ডাক পেয়েছেন তিনি। বয়স ৮২ তবুও বি এল ও বাড়িতে এলেন হিয়ারিং এর জন্য। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৮৫ ঊর্ধ্ব যারা রয়েছেন একমাত্র তাদের বাড়িতে গিয়েই হ্যায়ারিং হবে।
তাহলে কি প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হলো? যদিও এই প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বি এল ও । তবে কান্তি বাবু জানান তিনি কোন অতিরিক্ত সুযোগ চাননি। হেয়ারিং এর জায়গায় যেতে চেয়েছিলেন। তবুও তার বাড়িতে এসে কাগজপত্র নিয়ে গেলেন।
এ বিষয়ে বি এল ও কবিতা দাশগুপ্ত বলেন , কান্তি বাবু সমস্ত কাগজপত্র দিয়েছিলেন । কিন্তু কোন মতেই ফর্ম ডাউনলোড করা যাচ্ছিলনা। বাধ্য হয়ে ওনাকে হিয়ারিং এর জন্য চিঠি করতে হয়। এখানে এসে তাঁর একটি ছবি তুলে নিয়ে যাওয়া হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী।

