সুদেষ্ণা মন্ডল :: সংবাদ প্রবাহ :: গঙ্গাসাগর :: মঙ্গলবার ১৩,জানুয়ারি :: শুরু হয়ে গিয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬। ইতিমধ্যে গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগর মুখী। ধীরে ধীরে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দির প্রাঙ্গন চত্বরে ভিড় জমাচ্ছে তীর্থযাত্রীরা।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬ কে মাথায় রেখে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলায় তৈরি করা হয়েছে। আকাশ পথের ড্রোন এবং হেলিকপ্টারের মাধ্যমে নজরদারি চলছে পাশাপাশি গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। এছাড়াও হোভার ক্যাপ এবং স্পিডবোট এর মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে নদীগুলিতে।
হরিদ্বারের গঙ্গা আরতির আদলে গঙ্গাসাগরে গঙ্গা আরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগরের আসা দুজন তীর্থযাত্রীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে কলকাতায় পাঠানো হয়েছে, এর পাশাপাশি। ই-অনুসন্ধান মত বিশেষ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিউ আর কোডের মাধ্যমে মেলা সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য এখন তীর্থযাত্রীদের হাতের মুঠোয়।
পানীয় জল, শৌচালয়, এ.টি.এম. পরিষেবা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সন্ধানকেন্দ্র, বাস, লঞ্চ এবং অন্যান্য যানবাহনের সময় সারণী, পার্কিং সংক্রান্ত যাবতীয় সব তথ্য এবং পথ নির্দেশিকা পাওয়া যাচ্ছে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।
ই-পরিচয়ে করা হয়েছে একটি কিউ আর কোড রিস্টব্যান্ড যা বয়স্ক ও শিশু তীর্থযাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে, যা কেউ হারিয়ে গেলে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
তীর্থযাত্রীদের এক উৎসব মুখর পরিবেশ উপহার দেওয়ার জন্য সাগরতট এবং তট সংলগ্ন এলাকাকে বিশেষ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে।
বাংলার ঐতিহ্যমন্ডিত ও প্রসিদ্ধ ৬ টি মন্দির ও একটি মঠ এবারের মেলার অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ। পুণ্যস্নানের পাশাপাশি দীঘার জগন্নাথ মন্দির, কালীঘাট মন্দির, দক্ষিনেশ্বর মন্দির, তারাপীঠ মন্দির, মহাকাল মন্দির।

