নিজেই নিজের শুনানীর নোটিস ধরলেন বিএলও । এমন কি স্ত্রীকেও ধরালেন শুনানীর নোটিশ।

নিজস্ব প্রতিনিধি :: সংবাদ প্রবাহ :: কাটোয়া  :: বৃহস্পতিবার ১৫,জানুয়ারি ::  নিজেই নিজের শুনানীর নোটিস ধরলেন বিএলও । এমন কি স্ত্রীকেও ধরালেন শুনানীর নোটিশ। নজিরবিহীন এমন ঘটনাটি ঘটলো ১৬৫ নম্বর বুথের বিএলও দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের। স্বামীর হাত থেকে নোটিশ পেয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী অনিন্দিতা চৌধুরী।
স্বামী বিএলও হলেও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী অ্যাপে নোটিস এসেছে৷ তাই শুনানীতে স্বয়ং নিজে ও স্ত্রীকে নিয়ে  হাজির থাকতে হবে৷ আর পাঁচজনের মতই তাঁদের নিজেদেরও শুনানীর লাইনে দাঁড়াতে হবে৷
এই প্রসঙ্গে, পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার মহকুমা শাসক অনির্বান বোস বলেন, বিএলও হলেও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই তাঁকে কাজ করতে হবে৷
নিজের পরিবারের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম। জানা গেছে,কেতুগ্রাম বিধানসভার ভোমরকোল অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি ওই এলাকারই কোড়োলা গ্রামে ৷
বর্তমানে তিনি কাটোয়া শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরঙ্গি এলাকায় স্ত্রী অনিন্দিতা চ্যাটার্জী ও এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে থাকেন
দেবশঙ্কর বাবুর নিজের ও তাঁর স্ত্রী দু’ জনেরই শুনানীর নোটিস এসেছে ৷ বিএলও দেবশঙ্কর বাবুর বাবার নাম পুলকেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসিতে পদবির বানান ভুল রয়েছে ৷ এই কারনেই তাঁকে কমিশন শুনানীএ নোটিস পাঠিয়েছে ৷
অন্য দিকে স্ত্রী অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর বাপের বাড়ি নদীয়া জেলার নাকাশিপাড়ায়।  তাঁর বাবার নাম অনিল চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি এর জন্য তাঁর ও  বাবার বয়সের পার্থক্য ৫০ বছর রয়েছে৷ তাই নিজে ও স্ত্রীকে শুনানীর নোটিস ধরিয়েছেন খোদ  বিএলও স্বামী ৷
দেবশঙ্কর বাবুর বক্তব্য,নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে কাজ করতে বাধ্য৷ সেখানে আলাদা করে আমার নিজের পরিবারের কোনও গুরুত্ব নেই৷ সবাই সমান ৷ স্ত্রী অনিন্দিতা চ্যাটার্জী বলেন,এটা তো আমার স্বামীর কাজ৷ তাঁকে তো কাজটা করতে হবে ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 2 =