নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বর্ধমান :: মঙ্গলবার ৩,ফেব্রুয়ারি :: চেক জালিয়াতির একটি মামলার তদন্তে হঠাৎই বর্ধমান পৌরসভায় পৌঁছায় মহারাষ্ট্র পুলিশের একটি দল। এই ঘটনাকে ঘিরে পৌরসভা চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
মহারাষ্ট্র পুলিশের আধিকারিকরা বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকারের সঙ্গে কথা বলেন এবং কয়েকজন কর্মীর সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করেন। পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও খতিয়ে দেখেন বলে পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে।
এই বিষয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার জানান, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে বর্ধমান পৌরসভার নামে জাল চেক ব্যবহার করে মহারাষ্ট্রে দু’দফায় মোট ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনায় তদন্ত চলাকালীন তাঁর নামও উঠে আসে।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী কোনও পৌরসভায় চেক পেমেন্টের ক্ষেত্রে সিগনেটরি অথরিটি থাকেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ফিনান্স অফিসারের। চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর কোনও সিগনেটরি অথরিটি নেই। অথচ তাঁর সই জাল করে এই টাকা তোলা হয়েছে।
চেয়ারম্যানের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কোনওরকম এনকোয়ারি না করেই কীভাবে এই চেকগুলির পেমেন্ট করল, তা সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কের গাফিলতি। পরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পুরো টাকা পৌরসভাকে ফেরত দিয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ।
তিনি আরও জানান, ওই মামলার তদন্তের স্বার্থেই মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে পুলিশের একটি দল বর্ধমান পৌরসভায় আসে এবং প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করে। তবে এই ঘটনায় বর্ধমান পৌরসভা থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না—এ বিষয়ে মহারাষ্ট্র পুলিশ তাঁকে আশ্বস্ত করেছে বলেও জানান পরেশ চন্দ্র সরকার ।

