নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: সোনারপুর :: বুধবার ২৫,ফেব্রুয়ারি :: মাত্র ১৪ বছর বয়স। অষ্টম শ্রেণির ছাত্র পৃথ্বিরাজ হালদার। সকালটা ছিল তার পরীক্ষার দিন। প্রতিদিনের মতোই সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা, যা স্তব্ধ করে দিয়েছে পরিবার ও এলাকাবাসীকে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনারপুর থানার কোদালিয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘন্টাখানেক পর একটি ফোন আসে বাড়িতে।
হঠাৎ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ছুটে যান। তড়িঘড়ি করে পৃথ্বিরাজকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঠিক কীভাবে তার শারীরিক অবনতি হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্বাভাবিক অসুস্থতা নাকি অন্য কোনও কারণ—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পৃথ্বিরাজ ছোটবেলা থেকেই একই স্কুলে পড়াশোনা করত।
নার্সারি থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সে ছিল “The Summit School”-এর ছাত্র। স্কুলে সে নিয়মিত ও শান্ত স্বভাবের ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিল বলে জানা গিয়েছে।
মৃত ছাত্রের বাবা রাজকুমার হালদার পেশায় ব্যবসায়ী। তিন ছেলের মধ্যে পৃথ্বিরাজই ছিল সবচেয়ে ছোট। হঠাৎ করে ছোট ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবার।
তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পর স্কুলের পক্ষ থেকে কোনওরকম সহযোগিতা করা হয়নি। কী পরিস্থিতিতে পৃথ্বিরাজ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিক কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

