নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মালদহ :: বুধবার ২৫,ফেব্রুয়ারি :: মানিকচক থানার চৌকি-মিদাদপুর অঞ্চলের সাহেবনগরের বাসিন্দা শেখ সোহেল ও শেখ আমরাজ। উভয়েই সাহেবনগর হাই স্কুলের ছাত্র, এবছর তারা মাধ্যমিক দিয়েছে একসাথে।
অভিযোগ শেখ আমরাজ তার বন্ধু সোহেলের ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মাধ্যমে একটি একাউন্ট তৈরি করে এবং সেখান থেকে বিগত এক মাস ধরে কিছু অশ্লীল ছবি পোস্ট করে এবং গ্রামের একাধিক তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেয়।
যেহেতু সোশ্যাল মাধ্যমে সোহেলের ছবি থাকায় সমস্ত দোষ গিয়ে বর্তায় সোহেলের উপর।পরবর্তীতে সোহেল জানতে পারে সেই প্রোফাইলটি ব্যবহার করছে তারই বন্ধু আমরাজ এবং সেই এই কর্মকাণ্ড গুলো করছে।
এবিষয়ে সোহেল বিগত রবিবার সন্ধ্যায় আমরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে উভয়ের বচসা হয়। সেই সময় আমরাজ ও তার বাবা সেখ ফিজুর চড়াও হয় সোহেলের উপর এবং বাঁশ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে তাকে। আর তাতেই অচৈতন্য অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে।
ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলে সোহেলের মাকেও মারধর করা হয়। এমনকি সোহেলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে চাইলে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত আমরাজ ও তার পরিবার।
শেষমেশ কোনোভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গুরুতর আহত সোহেলকে প্রথমে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ও পরে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানেও চিকিৎসায় উন্নতি না হওয়ায় রবিবার রাতে তাকে কলকাতা রেফার করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় সোহেলের। সোহেলের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই তোলপাড় শুরু হয় গ্রাম জুড়ে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানায় গ্রামবাসী ও আত্মীয়রা।

