নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: ডোমজুড় :: বুধবার ৪,মার্চ :: পেশায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইউসুফ মিদ্দে (৬২) সৌদি আরবের একটি অয়েল কোম্পানিতে চাকরি করেন। ২০০৩ সাল থেকে সৌদি আরবের দামাম শহরে থাকেন।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামা বাজতেই ইরান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল আছড়ে পড়ছে ওই দেশে। এতেই আতঙ্কে রয়েছেন ইউসুফ মিদ্দে এবং তার স্ত্রী চাঁদসুলতানা মিদ্দে।
একইভাবে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন ডোমজুড়ে তার পরিবারের লোকজন। ডোমজুড়ের বাসিন্দা ভাই দাউদ মিদ্দে জানান তার দাদা এবং বৌদির সঙ্গে প্রতিদিনই ফোনে কথা হয়। যুদ্ধ শুরুর পর প্রতিদিনই ফোনে কথা হচ্ছে।
তারা প্রত্যেকেই গভীর উদ্বেগে রয়েছেন। যেভাবে ইরান মিসাইল অ্যাটাক করছে তাতে তাদের উদ্বেগ আরো বেড়ে গেছে। দাদা ও বৌদিও ফোনে জানিয়েছেন তারা যথেষ্ট ভয়ের মধ্যে আছে। তার ভাই দাউদ মিদ্দে জানিয়েছেন ২০০৩ সাল থেকে ইউসুফ ওই দেশের বাসিন্দা।
এর আগে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিটেক করার পর ব্যাঙ্গালোরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স থেকে এমটেক করেন।
পরে আমেরিকার হাউসটন ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি সৌদি আরবের একটি তেল কোম্পানিতে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকরি করছেন।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন প্রতিবছর একবার করে ইউসুফ এবং তার স্ত্রী ডোমজুড়ের বাড়িতে আসেন। পরিবারের যেকোন অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। একসঙ্গে তারা হই হুল্লোড়ে অংশ নেন।
চাঁদ সুলতানা মিদদে সৌদি আরব থেকে ফোনে জানিয়েছেন তারা ভয়ে আছেন। এয়ারপোর্ট বন্ধ থাকায় তারা এখনই দেশে ফিরতে পারছেন না।
এদিকে সৌদি তারা প্রার্থনা করছেন যত তাড়াতাড়ি হোক রমজান মাসে বন্ধ হোক যুদ্ধ। ঘরের ছেলে ফিরে আসুক ঘরে।

