সজল দাশগুপ্ত :: সংবাদ প্রবাহ :: শিলিগুড়ি :: শনিবার ৭,মার্চ :: শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে আদিবাসী সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বিধাননগরের বদলে বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে গোঁসাইপুরে সেই সভার স্থল নির্ধারিত হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে দেখা যায়, দর্শকের সংখ্যা অতি নগণ্য। আর তাতেই অসন্তুষ্ট হন রাষ্ট্রপতি।
তা সত্ত্বেও সেখানকার অনুষ্ঠান সেরে ফেরার পথে বিধাননগরে আদিবাসীদের সমাবেশে যোগ দেন। কিন্তু উৎসবের আবহেও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।
অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বোন’ সম্বোধন করেও প্রশাসনিক স্তরে হওয়া অব্যবস্থা এবং প্রোটোকল লঙ্ঘনের বিষয়টিকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিধাননগরে এই আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলন অনায়াসেই করা যেত, কারণ এখানে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে প্রশাসন প্রথমে এখানে অনুমতি দিতে চায়নি। এই কারণে উদ্যোক্তাদের চার-চারবার অনুষ্ঠানস্থল বদল করতে হয়েছে।”
প্রোটোকল বা শিষ্টাচার রক্ষা নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন রাষ্ট্রপতি। নিয়ম অনুযায়ী, দেশের সাংবিধানিক প্রধানকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী অথবা রাজ্য মন্ত্রিসভার কোনো সিনিয়র ক্যাবিনেট মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা।
কিন্তু এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। কোনো মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মেয়রকে দিয়ে স্বাগত জানানোকে ‘রীতিবিরুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি স্পষ্ট জানান যে, প্রোটোকল অনুযায়ী এই আচরণ কাঙ্ক্ষিত নয়।

