আগ্নেয়াস্ত্র সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস।

উদয় ঘোষ :: সংবাদ প্রবাহ ;: বর্ধমান :: আগ্নেয়াস্ত্র সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতদের মধ্যে দুই ছাত্রও রয়েছে। ধৃতদের নাম শেখ আশিক, রাম কোনার, সঞ্জয় শর্মা ও শেখ মহম্মদ। বর্ধমান থানার গোপালনগর ডাঙাপাড়া, শালবাগান, বাদশাহী রোড ও বাহির সর্বমঙ্গলাপাড়ায় ধৃতদের বাড়ি। আশিক ও রাম স্কুলে পড়াশুনা করে।

পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১১-১২ জন লাকুির্ড ব্রিজ এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিস সেখানে হানা দিয়ে ওই চারজনকে ধরে। দলের বাকিরা পালিয়ে যায়। তারা জাতীয় সড়কে যাতায়াত করা গাড়িতে ডাকাতির পরিকল্পনায় জড়ো হয়েছিল বলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস।

ধৃতদের কাছ থেকে গুলি ভরা একটি দেশি পাইপগান, একটি গুলি, রড, লাঠি মিলেছে। ধৃতদের ব্যবহৃত একটি বাইকও পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের প্রয়োজনে আশিক ও রাজকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস।

ধৃতদের আইনজীবীরা বলেন, মিথ্যা মামলায় তাদের ফাঁসানো হয়েছে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাদের ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার মামলা দেওয়া হয়েছে। দু’জনের ৪ দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন সিজেএম। বাকিদের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নিের্দশ দেন বিচারক।

অন্য একটি ঘটনায় ডাকাত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিস। ধৃতদের নাম দেবাশিস পরামাণিক, অনুজ কুমার, নিমাই দাস ও কর্ণ দাস। দেওয়ানদিঘি থানার কুড়মুনে দেবাশিসের বাড়ি। দেওয়ানদিঘি থানারই সিমডালে নিমাই ও কর্ণর বাড়ি। উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড়ে অনুজের আদি বাড়ি। বর্তমানে সে বর্ধমান শহরের মেহেদিবাগানে থাকে।

পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমান-কুড়মুন রোডে পাঁড়ুই বাসস্ট্যান্ডের কাছে কয়েকজন ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে ওই চারজনকে ধরা হয়। দলের বাকিরা পালিয়ে যায়। ধৃতদের কাছ থেকে ছুরি, লোহার রড, বাঁশের লাঠি প্রভৃতি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × three =