নিউজ ডেস্ক :: সংবাদ প্রবাহ :: ২১শে জুন ::ছত্তিশগড়::  টাকা-পয়সা, সোনা-গয়না, চুরি তো আর কম হয় না। চোরের বাড়াবাড়িতে বাড়ির মালিককেও নাজেহাল হতে হয়। গাড়ি চুরির ঘটনাও যখন তখন শিরোনামে উঠে আসে। আর ট্রেনে-বাসে পকেটমারি তো আকছাড় ঘটেই চলেছে। কিন্তু গোবর চুরির ঘটনা কখনও শুনেছেন। তাও একটু আধটু নয়, একসঙ্গে ৮০০ কেজি গোবর চুরি। হ্যাঁ, হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। এমনই আজব চুরির ঘটনা ঘটেছে এই দেশে। ছত্তিশগড়ের ধুরেনা গ্রামে এই নিয়ে চাঞ্চল্যও বেশ ছড়িয়েছে। গোবর চুরিকে কেন্দ্র করে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তেও নেমে গিয়েছে পুলিশ।

ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলার ধুরেনা গ্রাম। এই গ্রামে কমবেশি প্রায় বাড়িতেই রয়েছে গরু। সেই গরুর গোবর থেকে তাদের উপার্জনও হয়। এক বিশেষ প্রকল্পের আওতায় এই গোবর প্রতি কেজি ২ টাকা দামে বিক্রি করে তারা। কিন্তু সেই গোবরই কিনা চুরি হয়ে গেল। তাও এক-দু কেজি নয়, ৮০০ কেজি। এই ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে ছড়য়েছে চাঞ্চল্য।

জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই ধুরেনা গ্রামে ৮০০ কেজি গোবর চুরির ঘটনা ঘটে। তারপরই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

এবিষয়ে পুলিশের তরফে জানানো হয়, চুরির ঘটনা ঘটার কয়েকদিন পর ১৫ জুন গৌথান সমিতির গ্রামের প্রধান কামহান সিং কানওয়ার এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জানা যায়, চুরি হওয়া ৮০০ কেজি গোরবের বাজার মূল্য ১ হাজার ৬০০ টাকা। কী কারণে এই গোবর চুরি? কারাই বা এই চুরির সঙ্গে জড়িত? অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই তা জানার জন্য তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ‘গোধন ন্যায় যোজনা’ প্রকল্পের আওতায় প্রতি কেজি গোবর দু’টাকায় কিনছে ছত্তিশগড় সরকার। যে গোবর কেনা হচ্ছে, তা গৌঠানে রাখা হচ্ছে। এই গোবরের মাধ্যমেই দিয়ে প্রাকৃতিক সার উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার।