বর্ধমান রাজ কলেজের দীর্ঘ কয়েক মিটার এই রাস্তা ভেঙেচুরে একেবারে বেহাল

উদয় ঘোষ :: সংবাদ প্রবাহ :: বর্ধমান :: বর্ধমান শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্মীপুর মাঠ কলেজ মোড় থেকে রাজ কলেজ এবং হসপিটাল যাওয়ার রাস্তা। দীর্ঘ কয়েক মিটার এই রাস্তাটি ভেঙেচুরে একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। রাস্তায় নেই কোনও আলোর ব্যবস্থা এবং রাস্তার কঙ্কাল দশায় নাজেহাল পথচারী সহ গাড়ি চালকরা। কয়েকবছর ধরে এই যন্ত্রণায় ভুগছেন রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সহ বাহির সর্বমঙ্গলাপাড়া, রসিকপুর ও সুভাষপল্লির বাসিন্দারা।

এই রাস্তা দিয়ে বহু অ্যাম্বুলেন্স রোগী নিয়ে যাতায়াত করে। এছাড়াও জিটি রোডে বাস থেকে নেমে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল যাওয়ার এটিই মেন রোড। অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াও এই রাস্তা দিয়ে বহু টোটো ও অন্যান্য গাড়ি যাতায়াত করে। এছাড়াও বাস থেকে অনেকে হেঁটে এই রাস্তাটি ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন।

রাস্তার সঙ্গিন অবস্থায় তাঁদের নাভিশ্বাস উঠছে। বেশিরভাগ সময় পথচারীরা হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়ে জখম হচ্ছেন। এছাড়া টোটো ও অন্যান্য গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে বেশিরভাগ সময়ই বিকল হয়ে পড়ছে। তাতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তাঁরা।

তাঁরা চাইছেন, কবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাব। এছাড়াও এই রাস্তাতেই স্কুল ও বর্ধমানের ঐতিহ্যশালী রাজ কলেজ অবস্থিত। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যাতায়াত করে। যাতায়াত করতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। একে রাস্তা খারাপ, তার উপর বৃষ্টি হলে তো আর কথাই নেই। যন্ত্রণা আরও বেড়ে যায়।

প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে এই রাস্তায়। রাস্তায় প্রশাসনের তরফে কোনও আলোর ব্যবস্থা নেই। রাত হলেই রাস্তায় অন্ধকার নেমে আসে। গাড়ির আলোয় যতটুকু আলোকিত হয় রাস্তা তাতেই চলাচল চলে। এর ফলে যাতায়াত করতে আরও সমস্যা হয় পথচারী ও গাড়ি চালকদের। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ বাবলু বলেন, রাস্তাটি বছরখানেক ধরে এরকম বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এনিয়ে বহুবার পুরসভায় জানানো হলেও কোনও হেলদোল নেই। স্থানীয় নেতাদেরও বলার পরও কোনও ফল হয়নি।

এই রাস্তা দিয়ে হাসপাতালের রোগী ও তাঁদের পরিজনরা এবং স্কুল–কলেজের ছাত্রছাত্রী সহ সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন। কিন্তু, রাস্তার যা অবস্থা তাতে হাঁটা তো দূর, গাড়ি চলাচলও দুির্বষহ হয়ে পড়েছে। রাস্তাটি খুব শীঘ্রই সংস্কার করা দরকার। বর্ধমান পুরসভার প্রশাসক বোের্ডর ভাইস চেয়ারম্যান আইনুল হক বলেন, টেন্ডার করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × four =