নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ ::মুর্শিদাবাদ :: অত্যাধুনিক দ্বিতল ভবন তৈরি হয়েছে। বিদ্যুতের ব্যবস্থা হয়েছে। পানীয় জলের যোগান রয়েছে। যাতায়াতের জন্য পাকা রাস্তাও রয়েছে। তবু,তালাবন্দি দশা ঘোচেনি মালদহের মানিকচক কর্মতীর্থের। ২০১৫–২০১৬ বছরে মালদহের মানিকচকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কামালপুর এলাকায় কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল সরকারি কর্মতীর্থ।তৈরীর পর কেটে গিয়েছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময়।

তালাবন্দি দশা ঘোচেনি মালদহের মানিকচক কর্মতীর্থের। ২০১৫–২০১৬ বছরে মালদহের মানিকচকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কামালপুর এলাকায় কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল সরকারি কর্মতীর্থ।উদ্দেশ্য ছিল, উন্নত পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করে কৃষক ও ছোট ব্যবসায়ীদের আধুনিক বাজারের সুবিধা দেওয়া।

মানিকচক এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাজার গুলিকে একই ছাদের তলায় নিয়ে আসা। কিন্তু, তৈরির পর প্রথম দিন থেকেই কোনও ব্যবসায়ী বা দোকানদার এই কর্মতীর্থে দোকান নেওয়ার আগ্রহ দেখাননি।

পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, বিকল্প হিসেবে এখন ওই কর্মতীর্থেই সরকারি অফিস চালুর কথা ভাবছে প্রশাসন।ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, ওই এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি, রাজ্য সড়ক থেকে কর্মতীর্থের দূরত্ব প্রায় আড়াইশো মিটার।

ফলে কেন ওই এলাকাকে কর্মতীর্থ তৈরির জন্য বেছে নেওয়া হলো ? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ব্যবসায়ীরা।দীর্ঘদিন ব্যবহার না হাওয়া ফাঁকা কর্মতীর্থ এখন নানারকম অসামাজিক কাজকর্মের আখড়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি অনেকেরই। শেষপর্যন্ত কবে কর্মতীর্থ ব্যবহারযোগ্য হবে এখন সেটাই বড় প্রশ্ন

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here