নিউজ ব্যুরো :: সংবাদ প্রবাহ :: নয়াদিল্লি :: গতকাল রবিবার ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে রাকেশ টিকায়েত বলেন, কৃষক আন্দোলনে প্রায় ৭৫০ কৃষক প্রাণ হারালেন, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে শোকও জানানো হলো না। দেশের কৃষকেরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি হয়তো ‘কৃষকের প্রধানমন্ত্রী’ নন। তিনি কৃষকদের দেশের বাইরের কেউ মনে করেন।

এর আগে গত শুক্রবার এই কৃষক নেতা বলেছিলেন, দেশের কৃষকেরা বিক্ষোভ বন্ধ করে কোথাও যাবেন না। যদি এক সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারে, তাহলে জনসমর্থন পাওয়া এই বিক্ষোভ তত দিন চলবে, যত দিন ভারত সরকার এমএসপির নিশ্চয়তা দিয়ে আইন পাস ও তিনটি কৃষি আইন বাতিল করবে না।

গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি কৃষি আইন (সংশোধিত) পাস করে। এই তিন আইনের বিরুদ্ধে গত ২৬ নভেম্বর থেকে ভারতের হাজারো কৃষক রাজপথে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এরপর সরকারের সঙ্গে কয়েক দফায় কৃষক নেতাদের আলোচনা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

নতুন আইনে কৃষিবাজারের  ওপর রাজ্যের একচেটিয়া অধিকার আর থাকবে না। বহুজাতিক সংস্থাগুলো তাদের পছন্দমতো ‘মান্ডি’ তৈরি করতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা, কোন দামে চাষি তাঁর পণ্য বেচবেন, তা বাজারই ঠিক করে দেবে। কৃষক বিক্ষোভের বড় কারণগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম।

তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস (এমএসপি) নিয়ে। ভারতের কৃষিব্যবস্থায় এমএসপি প্রথা চালু রয়েছে বহু দশক ধরে। চাষিকে বাঁচিয়ে ন্যায্যমূল্য দিতে সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ফসলের এমএসপি ঠিক করে দেয়। সেই দামের নিচে সরকার ফসল কিনতে পারে না।

নতুন আইনে এই প্রথা বাধ্যতামূলক রাখা হয়নি। সরকার এমএসপি রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও কৃষক সংগঠন ও বিরোধীরা চাইছে, এমএসপি প্রথাকে নতুন আইনের আওতায় এনে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করতে |

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here