‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে বড় সামরিক সাফল্য — রাশিয়া থেকে ভারতে আসছে চতুর্থ ‘সুদর্শন চক্র’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা নিউজ ডেস্ক :: মঙ্গলবার ২৮,এপ্রিল :: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর এক বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এল আরও একটি বড় সাফল্যের খবর।

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাশিয়া থেকে অত্যাধুনিক চতুর্থ ‘সুদর্শন চক্র’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শীঘ্রই ভারতে পৌঁছতে চলেছে। এই উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্রের দাবি, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অন্যতম কৌশলগত সামরিক অভিযান, যার মাধ্যমে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছিল।

সেই অভিযানের সফলতার বর্ষপূর্তিতেই এই নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আগমনকে প্রতীকী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, “এই চতুর্থ সুদর্শন চক্র যুক্ত হলে ভারতের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। শত্রুপক্ষের যেকোনও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা আকাশ হামলা প্রতিহত করতে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর।”

জানা গিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক লক্ষ্যবস্তু একসঙ্গে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম। দীর্ঘ দূরত্বে শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রকে মাঝপথেই ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর ও সামরিক ঘাঁটিগুলির নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়বে।

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারতের এই ধরনের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ব্যবস্থা কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা নিতে পারে।

অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ এই ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের বক্তব্য, প্রতিরক্ষা চুক্তির স্বচ্ছতা ও ব্যয়ের হিসাব জনসমক্ষে আনা উচিত। যদিও সরকার এই সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ এবং এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলেই দাবি করেছে।

সব মিলিয়ে, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে চতুর্থ ‘সুদর্শন চক্র’-এর আগমন দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও সুসংহত করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two + sixteen =