সজল দাশগুপ্ত :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: মঙ্গলবার ২১,এপ্রিল :: আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তারপর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার জন্য নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র বলয় তৈরি করা হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোটে সব মিলিয়ে মোট ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
জেলায় জেলায় এই বিপুল পরিমাণ বাহিনীর বিন্যাস দেখে স্পষ্ট যে, কোনো রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওপর।
সুন্দরবন, বারুইপুর এবং ডায়মন্ড হারবার—এই তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ৪০৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই জেলাটি বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত, তাই এখানে বাহিনীর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।
এরপরই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। খোদ কলকাতায় মোতায়েন করা হচ্ছে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । বিধাননগর এবং চন্দননগরের মতো কমিশনারেট এলাকাগুলোতেও যথাক্রমে ৫০ ও ৮৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকছে।
তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে রাখা হয়েছে মাত্র ১৩ কোম্পানি বাহিনী।
পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি এবং হুগলি গ্রামীণ এলাকায় ২৩৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। শিল্পাঞ্চল ব্যারাকপুরেও থাকছে ১৬০ কোম্পানি বাহিনী।
এছাড়া হাওড়া গ্রামীণ ও কমিশনারেট মিলিয়ে ২৫৭ কোম্পানি এবং নদীয়া জেলার দুই পুলিশ জেলা মিলিয়ে প্রায় ২৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত, বনগাঁ এবং বসিরহাটেও মোতায়েন থাকছে কয়েকশ কোম্পানি জওয়ান।
এছাড়াও থাকছে নির্বাচন কমিশনের গ্রামার মেলানো এক গুচ্ছ নির্দেশ । যেমন এবার কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ হচ্ছে যেকোনো দলের বাইক রালি । কেন্দ্রের ভোটার নন এমন বাইরের লোকেদের কিন্তু নির্বাচন কেন্দ্রে থাকার ওপর ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ।
এছাড়াও কড়া নজরদারি চলবে হোটেল এবং লজ্গুলিতেও । সব মিলিয়ে এবার এই রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন হতে চলেছে নজিরবিহীন ও দৃষ্টান্ত মূলক ।

