কুন্তিঘাট রামনগর গ্রামে ভাঙনের জেরে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ

জাকির আলী :: সংবাদ প্রবাহ :: হুগলি :: শুক্রবার ১০,জুলাই :: বলাগড়ে গঙ্গা ভাঙন নতুন কিছু নয়।বর্ষার আগে এবারে গঙ্গা ভাঙন রীতিমতো উদ্বেগজনক। কুন্তিঘাট ঝুলন্ত কাঠের সেতু থেকে প্রায় তিনশো মিটারে বেশি গত পাঁচ দিন ধরে ভাঙছে গ্রাম। গত দু’বছর অপর প্রান্তে ভাঙন দেখা দিয়েছিলো।

সে জায়গায় শালবল্লা দিয়ে ভাঙন রোধ করা হয়েছিলো সে সময় । এবারে ওপারের ভাঙনের থেকে এ পাড়ের ভাঙন অনেকটাই বেশি। প্রতিদিন গঙ্গার জল বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন ভয়াবহ আকার রুপ নেবে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।এবারে বর্ষার শুরু থেকেই বলাগড়ে গঙ্গা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে।এমনিতেই বলাগড় বিধানসভার ৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েত গঙ্গা ভাঙনের কবলে। কিছুদিন আগে জিরাট খাসের চর এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। এবার গঙ্গা থেকে শাখা নদী অর্থাৎ কুন্তি নদী গিয়েছে সে নদীর কুন্তিঘাট রামনগর মাঝের পাড়ায় শুক্রবার থেকে ভাঙনে পাঁচ-ছটি বাড়ির দেয়াল ফাটল দেখা দিয়েছে।

ফাটল দেখা দিয়েছে স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলে। গঙ্গা রীতিমতো ফোঁসা শুরু হয়েছে। তাই দুশ্চিন্তায় ঘুম ভাঙছে নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বলাগড় বিধানসভার দুটি পঞ্চায়েতের ডুমুরদহ নিত্যানন্দপুর-২ ও চন্দ্রহাটি-১ রয়েছে কুন্তি নদী।

নদীর ধার বরাবর প্রায় দুশোর অধিক বাড়ি রয়েছে। কারো একতলা তো কারো আবার দোতালা বাড়ি রয়েছে। প্রত্যেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন এ বিষয়ে পঞ্চায়েত ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে

এমনকি এলাকার যিনি বিধায়ক মন্ত্রী সুমনা সরকারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে কি বলছেন এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কি বলছেন শুনবো।

শম্পা হালদার বলেন,শশুর শাশুড়ি অসুস্থ। এক মেয়েকে নিয়ে স্বামী দিন মজুরের কাজ করে কোনও ক্রমে একটা বাড়ি তৈরি করেছে। এখন তা সম্পন্ন হয়নি। তার মধ্যেই শৌচালয়টি ভাঙনে পড়ে ভেঙেছে। বাড়ি থাকবে কিনা চিন্তায় রয়েছি। এই বাড়ি চলে গেলে যাবো কোথায়।

তাই, সোমবার জেলাশাসক,-সহ স্থানীয় প্রশাসনের নানান বিভাগে জানান এলাকার বাসিন্দারা। দ্রুত ভাঙন মেরামত দরকার। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত বা বলাগড় পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধিরা তারা ক্যামেরার সামনে কিছু বলতে চাননি। বলাগড় ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিকরা ক্যামেরার সামনে কিছু বলেন নি বলেন বিষয়টি দেখা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen + one =