সুদেষ্ণা মন্ডল :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: সোমবার ২১,সেপ্টেম্বর :: আইনজীবী অগ্নিশ বসুর বক্তব্য: গত সপ্তাহে একটি ভুল তথ্য সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়েছিলো। শালবনি মামলায় সুমিত রায় নাকি সিআইডিকে সবকিছু বলে দিয়েছেন। আদালতের অর্ডারে আমি ওনার সাথে যখন দেখা করি উনি তখন সরাসরিই আমাকে বলেছিলেন, পুরো কথাটাই মিথ্যে। এ ধরনের কোনও কথাই তিনি বলেননি ।
একইরকমভাবে যখন তাকে পেশ করা হয়, তিনি নাকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কিছু টাকা জমা করেছিলেন পার্টির ফান্ডে। আমি সুমিত রায়ের সাথে কথা বলে এসেছি। তিনি আমাকে জানান, পার্টির যত অর্থনৈতিক ব্যাপার সবটাই পার্টির কোষাধ্যক্ষ দেখেন।
২০২০-এর পর থেকে অরূপ বিশ্বাস সেই পদে ছিলেন। উনি এটাও বলেন, এটা পার্টির সংবিধানেই লেখা রয়েছে। কোষাধ্যক্ষ যখন নির্দেশ দিতেন তখনই তিনি পার্টির ফান্ডে নিয়ম মেনে ডিপোজিট করতেন
পার্টি ফান্ডের এই ডিপোজিটগুলি সম্পূর্ণ বৈধ। এমনকি ডিপোজিট করা অর্থ ও পার্টি ফান্ডের প্রত্যেক বছর অডিটও করানো হত। এমনকি এই তথ্য নির্বাচন কমিশনকেও দেওয়া হত। যেটা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোডও করা রয়েছে
২০১৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত যে কোষাধ্যক্ষ ছিলেন, অভিযোগ সেই সময় থেকে টাকা লেনদেন চলত। যখন যিনি কোষাধ্যক্ষ হন তখন তাঁর কাছে পার্টির অর্থনৈতিক দায়িত্ব আসে। শুধুমাত্র অভিযোগই জমা পড়ছে। যখন যেমন অভিযোগ আসবে, সেই অভিযোগ আমরা খতিয়ে দেখব এবং আইনের পথেই আমরা তার উত্তর দেবো

