নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্র বাহ :: মালদহ :: রবিবার ৫,জুলাই :: তিন তলা থেকে ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য। আত্মহত্যা না খুন ধোঁয়াশা, আততায়ীর হাতে খুন হতে পারে বলে অভিযোগ তুলে পুলিশি তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।
জানা যায়, মালদা শহরের বাশুল্লিতলা এলাকায় শনিবার সন্ধ্যার প্রচন্ড দুর্গন্ধের কারণে সন্দেহ হয়, তারপর খবরা খবর হতেই খোঁজাখুঁজির পর তিনতলায় নিজের বাড়িতে অরুণ হালদারের পচা গলা মৃতদেহ ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, এই বাড়িতে তারা দুই ভাই থাকতেন, তিন তলায় থাকতেন অরুণ হালদার এবং দোতলা সহ নিচে থাকতেন তার ছোট ভাই অশোক হালদার,।
বেশ কিছুদিন আগে অশোক হালদার তার দাদা অরুন হালদারের বাড়ির সম্পত্তি লিখে নেয় বলে অভিযোগ। অরুন হালদারের বয়স প্রায় ৬০ বছর অবিবাহিত। সোনার দোকানের কারিগর ছিলেন তিনি। কাজকর্ম ঠিকমতো করতে পারতেন না মানসিক অবসাদে ভুগতেন।
তার দেখাশোনা খাওয়া দাওয়ার দায়িত্ব তার ভাই অশোক হালদারের উপরে ছিলো, কিন্তু তার প্রতি অমানবিক ব্যবহার করা হতো বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। ফাঁসিতে ঝুলে নিজে মরল না কেউ মারলো সন্দহের বিষয়, গত দুইদিন ধরে ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে থাকলেও তার ভাইয়ের পরিবারের লোকজন কাউকে জানাইনি।
তাই সঠিকভাবে পুলিশ তদন্ত করুক যেন আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। যদিও মৃতের ভাগ্না সুব্রত দাস সন্দেহের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন সম্ভবত তিনি নিজেই ফাঁস লাগিয় আত্মহত্যা করেছেন, তবে পুলিশ তদন্ত করুক তবে আসল ঘটনা জানা যাবে।

