সজল দাশগুপ্ত :: সংবাদ প্রবাহ :: শিলিগুড়ি :: সোমবার ৭,সেপ্টেম্বর :: ২০২৪সালে তিস্তার ভয়াবহ জলস্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তিস্তা বাজার সংলগ্ন লালটং বস্তি।সেই সময় বস্তির অধিকাংশ পরিবার এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়।তৎকালীন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির থাকার জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
তবে এখনও বেশ কয়েকটি পরিবার লালটং বস্তিতে থেকে জীবনযাপন করছে ।এরই মধ্যে সিকিমে ফের বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফলে ফের বিপদের মুখে পড়তে পারে নদী সংলগ্ন লালটং বস্তি।
পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রবিবার এলাকা পরিদর্শনে যান বনদফতরের রেঞ্জার সহ ভক্তিনগর থানার আইসি মহেশ্বর মাঝি।এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করার পাশাপাশি বনদফতর ও পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়।
তিস্তার জল আচমকা বাড়লে যাতে কোনও ধরনের বিপদ না ঘটে,সেজন্য বস্তির বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়।বিশেষ করে বস্তিতে থাকা খাটালগুলি সরিয়ে নেওয়ার জন্যও মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে।জানা গেছে,লালটং বস্তি এলাকায় বর্তমানে ছটি খাটাল রয়েছে।
সেখানে শতাধিক গরু রয়েছে ও খাটালগুলি দেখাশোনার জন্য প্রায় সাতজন কর্মী রয়েছেন।তিস্তার জলস্তর বাড়লে মানুষ ও গবাদি পশু উভয়েরই বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।তাই আগেভাগেই স্থানীয়দের সতর্ক করা হচ্ছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, তিস্তার জলস্তরের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।উল্লেখ্য,২০২৪সালের অভিজ্ঞতার পর ফের কোনও বড় বিপদ যাতে না ঘটে,সেই লক্ষ্যেই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

