নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: সংবাদ প্রবাহ :: রামপুরহাট :: শুক্রবার ১,মে :: বীরভূমের রামপুরহাটে পথ দুর্ঘটনায় দাদু ও নাতির করুণ মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান মৃতদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে ডাক্তার ও নার্সদের ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার জেরে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের পরিষেবা ব্যাহত হয়।
জানা গিয়েছে, এদিন ৪৫ বছর বয়সী কাদের শেখ তাঁর স্ত্রী ও ৭ বছরের নাতি তামিম শেখকে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। ভর্তা মোড় থেকে মূল রাস্তায় ওঠার সময় একটি ‘চায়না ভ্যান’-এর সঙ্গে তাঁদের বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনার তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কাদের শেখ। গুরুতর জখম অবস্থায় শিশু তামিমকে দ্রুত রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর জরুরি বিভাগে কোনও সিনিয়র চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না।
নার্সরা প্রাথমিক চিকিৎসা করলেও সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু না হওয়ায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এই অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পরিজনেরা।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে কর্তব্যরত নার্সরা জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু করা হয় এবং দ্রুত সিনিয়র চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়েছিল। তবে চিকিৎসক পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে দাবি তাঁদের।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

